শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল, ২০১৪

ভ্রমণচারী মেঘের সাথে আমি



অনতিউচ্চ পর্বত আর উপত্যকার উপর বাতাসে ভেসে বেড়ানো
একখণ্ড মেঘের ফালির মতো আমিও ভ্রমণ করেছিলাম একাকী
সহসা আমার চোখে আসতে থাকল
জনতার জীবনপ্রবাহ, অসংখ্য দূর্বাফুলের কাঁচা শরীর ;
মৃদু বাতাসভূমিতে দৃশ্যত তাদের আনন্দমিছিল আর নৃত্যাৎসব
মাতাল করে তুলছিল স্বর্গের হ্রদবাসী আর মর্ত্যের জনারণ্যকে।
বিরতিহীনভাবে চলছিল পুষ্পরাজির নৃত্যক্রিয়া
যেমন করে
নক্ষত্রতারা আলো  বিলায় আর মিটমিট ছন্দে চলতে থাকে প্রশস্ত ছায়াপথে
উপসাগরের কূল ছুঁয়ে সরলরেখার মতো তারা ছড়িয়ে পড়ল অন্তত সারিতে
এক পলক বিনিয়োগ করেই আমার দৃষ্টি সীমায় হাজারো পুষ্প
যাদের আনন্দগর্ভে জন্ম নিচ্ছিল অনিন্দ্যসুন্দর সন্তান।
অনিন্দ্যসুন্দর সন্তানের পত্তন ইথারকেও নাচিয়ে ছিল
তথাপি
সকল আনন্দের আয়োজন তাদের আনন্দের কিরণে
আমার কবিত্ব আত্মা নেচে উঠল
এ রকম এক আশ্চর্য আনন্দে
চোখের পাতা কপালের সাথে সেলাই করে
চেয়ে থাকলাম --
এবং শুধু চেয়ে রইলাম, চিন্তা বিযুক্ত মন
তখনো করিনি অনুধাবন ;কী ঐশ্বর্য উদ্ভাসিত
হয়েছিল আমার আমির দেশে।
যখন অবকাশে পালঙ্কে গা হেলিয়ে দিই
স্বর্গীয় চিন্তামগ্ন মনে
তারা চুমুর আবেশ ছড়িয়ে দেয় আমার শিহরণে
যা শুন্য মনে জন্ম দেয় শান্তির কবিতা
আর তখনই আমি প্রশান্তির ভেলায় চড়ে পাড়ি জমায় শান্তির দেশে
আর নেচে উঠে আমার মন দূর্বাঘাসের সাথে।

মূল : উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন