মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯

শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৯

রাস্তা

প্রিয় রাস্তা, রাজার পা পেয়েই হয়ে গেলে রাজপথ! তোমাকে ত আমি হৃদয় দিয়েছিলাম

শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৯

মথুরা সত্য

শকুনি যতভাবে বাসুদেব শ্রীকৃষ্ণকে পরাজিত করার চেষ্টা করেছে ঠিক ততভাবে শকুনি পরাস্ত হয়েছে।

পান্ডবরা জয় হয়নি, জয় হয়েছে সত্যের। সত্যের পতাকা তুলে ধরবার জন্যে যদি কেউ না থাকে স্বয়ং প্রকৃতি তখন সত্যের পতাকা হাতে তুলে নেয়। বাসুদেব শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং প্রকৃতি হয়ে পৃথিবীতে এসেছিলেন।

নিষ্ঠুরতা প্রকৃতি সহ্য করতে থাকে কিন্তু নিষ্ঠুরতার সীমা যখন সহ্যের সীমানা ছেড়ে যায় প্রকৃতি তখন কুরুক্ষেত্র নির্মান করেন যেখানে শকুনি যত পরিকল্পনা করুক না কেন, সবই তার প্রতিকূলে অবস্থান নিতে বাধ্য।

রবিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০১৯

শ্রীরাম

জয় শ্রীরাম বলে মিছিলে হামলা হবে। আপনি বলবেন "শান্তির মিছিল," শ্রীরাম-ভক্ত বলবে "এই আক্রমন ধর্মের।"

শান্তি ও ধর্ম যখন ইংরেজি থিউরি পিউরি দ্বারা আক্রান্ত হয়ে যায় মানুষ তখন মতবাদের ফাদে পরে নিজের আপনজন হারায়

শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১৯

শেখ সাদীর গুলিস্তা

এক দেশে এক রাজা ছিলেন। গুলিস্তার রাজা। না। গুলিস্তা কোনো শহরের নাম নয়। গুলিস্তা মানে ফুলের বাগান। শেখ সাদী তার বইয়ের নাম দিয়েছেন গুলিস্তা। এটি মূলত মানবিক জাগতিক  ইন্দ্রিয়াতীত নৈতিক শিক্ষার আধার।

বলছিলাম এক দেশে এক রাজা ছিলেন। না। রাজা গাজা খেতেন না। তবে রাজা আদেশ দিতেন। সব রাজাই আদেশ দেন। শেখ সাদীর গুলিস্তা কিতাবের রাজাও আদেশ দিলেন।

কী আদেশ দিলেন?

 লোকটির মৃত্যু।

লোকটিকে যেন শহরের কেন্দ্রে জনসম্মুখে ফাসি দেয়া হয়।
কেন কেন?

কারন আমরা জানতে পারিনি। বইয়ে উল্লেখ্য নাই। রাজাদের অবশ্যই ফাসিটাসি দিতে কারন লাগে না। রাজা বলে কথা। রাজা যদি নিজের ইচ্ছামতো আইনটাইন নিয়মটিয়ম তৈরি করতে নাই'ই পারে তাহলে রাজা হবে কেমনে!?

লোকটি নিজের মৃত্যুর কথা শুনে রাজাকে বকাবকি করতে আরম্ভ করে। ভাগ্যিস লোকটির ভাষা রাজা বুঝতে পারে না। রাজা প্রধান উজিরের কাছে জানতে চান, লোকটির উচ্চারিত ভাষা সম্পর্কে। উজির ঠাডা মিথ্যা কথা বলে।

লোকটি আপনার প্রশংসা করছে এবং কোরানের একটি আয়াত পাঠ করছে।

আয়াতের মাহাত্ম কী?

আয়াতের মাহাত্ম হচ্ছে  ''নিশ্চয়ই প্রভু দয়ালু হৃদয়কে ভালোবাসেন এবং তার জন্য নির্ধারিত রেখেছেন অফুরান কল্যান।"

রাজা প্রধান উজিরের কথা শুনে লোকটির সাধারন ক্ষমা ঘোষনা করেন। রাজা বলে কথা। লোকটির মুখে হাসি নেমে আসে। কিন্তু সমস্যা বাধে অন্য জায়গায়। রাজ্যের অন্য এক উজির বলে ওঠে অন্য এক কথা।

মহারাজ।

বলো।

প্রধান উজির আপনার সঙ্গে মিথ্যা বলেছে। লোকটির শাস্তি হওয়া আবশ্যক। মিথ্যা বলার অপরাধে প্রধান উজিরেরও শাস্তি হওয়া দরকার।

কী মিথ্যা বলেছে?

লোকটি আপনাকে বকাবকি করেছে।

এবার রাজা কিছুক্ষনের জন্যে চুপ হয়ে গেলেন। রাজ্যসভায় মেঘের ঘনঘটা। কী হতে যাচ্ছে কেউ অনুমান করতে পারছে না। অনেকেই ভাবছেন প্রধান উজিরের বিশাল শাস্তি হবে। অনেকের ভাবনা হয়তো সত্যি হতো। কিন্তু সত্যি হলো না। রাজা বললেন ভিন্ন কথা।

যে সত্য ফিতনা তৈরি করে সেই সত্যের চেয়ে ফিতনা দূরকারী মিথ্যা উত্তম।

রাজা প্রধান উজিরের পক্ষ নিলেন এবং লোকটি ক্ষমা করে দিলেন।

এই গল্পটি বলার সময় গুলিস্তার স্রষ্টা শেখ সাদী কয়েকটি দার্শনিক বক্তব্যও দিলেন। বক্তব্যের মূলকথা হলো মানুষ যখন চরম বিপদে পড়ে যান তখন তার স্বাভাবিক সেন্স কাজ করে না। তখন যে কারো পক্ষে অস্বাভাবিক আচরন করাও স্বাভাবিক
(ওয়াক্তে জুরু র' ত চু নমা নদ গুরিজ
দস্তে বেগি রতসরেশাম সিরেতেজ)।

বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৯

আপনার কল্যান হোক


আপনাকে যখন থেকে চিনি তখন থেকে আপনার প্রতি আমার শ্রদ্ধা অসীম। আপনার বাবাকে দেখার পর তাঁর প্রতি ও আপনার প্রতি আমার শ্রদ্ধা আরও বেড়ে যায়। আপনার ও আপনাদের কল্যান কামনা করেছি এবং করতে থাকার প্রয়াস করি।

আপনাদেরকে কখনো পুলিশি রাষ্ট্রের লোক মনে করি নাই। বরাবরই মনে করেছি মানবিক রাষ্ট্রের লোক আপনারা। মনে করেছি মানুষ ও মানুষের সরলায়িত হৃদয় আপনার শেষ গন্তব্য। আমার সার্টিফিকেট আমি কারো কাছ থেকে চাই না। তবে মনে রাখবেন নিশ্চয়ই রাস্তার কুকুরও ভালো প্রভুর আচরনে সন্তুষ্ট হয়।

কাউকে বিব্রত বিরক্ত করার শিক্ষা আমাকে দেয়া হয়নি। আমি সবার সাথে একটা সীমানা পর্যন্ত মিশি, তারপর সীমানাকে সীমানায় জায়গায় রেখে চলে আসি নিজের ভেতরে বানানো কুয়ার মতো ছোট্ট নিরেট জায়গায়। কারো শরীরের ধুলাবালি খুব মুছতে যাই না আমি, কারন ধুলাবালি মুছতে মুছতে শেষ পর্যন্ত ব্যক্তিটিও মুছে যেতে পারে।

আমার নীরবতা আমার শক্তি। অনেকের নীরবতাও অনেকের শক্তি। তাই আমার নীরবতায় দয়া করে আঘাত করতে আসবেন না, প্রকৃতি সহ্য করবে না। প্রকৃতি আমার আপনার চেয়ে অনেক শক্তিশালী।

আপনাদেরকে যে উচ্চ আসনে রেখেছি সেখানে থাকুন এটাই আমার অনুরোধ। কোনো প্রকার মিথ্যাচার কোনো প্রকার অযাচিত অভিযোগ ক্রিয়া আমার দিকে ছুঁড়ে দিবেন না। মিথ্যুক যেই-ই হোক তার পরিনতি ভালো হয়নি। মিথ্যা স্বয়ং আত্মঘাতী।

আমাকে গালিগালাজ করা যেহেতু আপনার মৌলিক  অধিকারের মধ্যে পড়ে সেহেতু আমার কিছু বলার নেই। তবে মিথ্যাচার বন্ধ করুন। আর কিছু বলতে চাইলে ফোন দিয়ে সরাসরি কথা বলুন। চোরের মতো চোরাবালি নির্মান করবেন না। আমি চাই না আপনার সম্মান নষ্ট হোক, কারন আপনি সম্মানিত।

সবশেষে বলবো ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিন। কারন দুই হাজার ১৪ সাল আর দুই হাজার 19 সাল হাজার হাজার মিনিটের খেলা। ভালো সম্পর্ক নষ্ট করার চেয়ে সম্পর্ক সম্পর্কের জায়গায় রেখে দেওয়াই সম্পর্কের প্রতি যত্নশীল আচরনের নামান্তর।

বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৯

জয় হে

জয় হওয়ার কম সম্ভাবনা নিয়ে যে জয় হয় তার আনন্দ অধিক, জয় হওয়ার অধিক সম্ভাবনা নিয়ে যে জয় হয় তার প্রশান্তি অধিক

সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯

বটে

বিড়ালের যখন মৃত্যু আসে তখন সে বাঘকে আক্রমন করে বসে

বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯

জীবনের জন্যে সতর্কতা প্রয়োজন, জীবন নাশের জন্যে অতি সতর্কতাই যথেষ্ট

বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯

পাথরের আকাশ

তুমি তবে ফুল হয়ে পাথরের আকাশে পাখির মতো উড়ে উড়ে ঘুরে ঘুরে গন্ধ বিলাও অবিরত

সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯

প থ

হে পথ, তোমার কী বাড়ি ফিরতে ইচ্ছে করে না!?

কালিয়া নিষাদ

তারা ভরা আকাশ নদীর জলে
নদী ভরা জল আকাশ হলে
আমি তুমি ভেসে চলি সামাজিক ছলে
তবু ত কিছু মানুষ জেগে থাকে রোজ
জোছনাজলে চোখভাজা ভোজ
মিটিং চিটিং করে আলো কোসা নৌকা মাঝি
প্রেমিকার ঠোঁটে রাখে প্রেমরাত আজি
গহিনে জমা করে চাল ডাল ভাত
প্রভাতের ঘরে বসে হারামি রাত
ঢেউয়ের পর ঢেউ ভাঙে পদ্মার জল
আকাশে তারা নয় মানু‌ষের কল
আকাশ নদী হলে নির্বানে আমি
উজানে নদীর ডাক কালিয়া ভূমি

রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৯

রূপালি রোদ আর মিষ্টি আলোর শহর

একবার মানুষের ডাক পেয়ে হাশর পৃথিবীর দিকে হাটা শুরু করে। নদী থেমে যায়। মানুষের জেলখানা বন্ধ হয়ে যায়। একটা লোকের কাছে দায়িত্ব দিয়ে সব লোক ঘুমাচ্ছে। অন্ধকার ঘুম।

এখানে নদীর অনেক ঢেউ, অনেক স্রোত। কাল ভোর হবে। আজ একটি নির্দিষ্ট দিন যেখানে কবরের ডাক কানে আসতে পারে। মানুষের ঘুম নেই। নদী ও নারীর ঘুম নেই। মাদের ঘুম নেই। বলেন। আপনি বলতে থাকুন। শুনতে আসা লোকদের বড়ই অভাব। কেউ ব্রার মতো কেউ চরের মতো কেউ নদীর কুয়াশার মতো বলতে চায়। বলুন। বলতে থাকুন।

হোক পদ্মা বা মেঘনা নদী। সব জলের সম্পর্ক অনেক গভীর অনেক নিবিড়। মানু‌ষে মানুষে সম্পর্কে অনেক আজাইরা স্বার্থ থাকে যেখান রোদ এসে খেলা করে না। মানুষ নৈর্ব্যক্তিক মানুষ অবজেক্টিভ মানুষ কাকতালীয় ব্যাপার স্যাপার। মানুষ হতে পারেনি প্রিয় আপেল ফুলের নরম ঠোঁট।

ভেসে চলছি আমরা। ভেসে চলছি আমরা নদীর উপরে কিংবা অন্ধকারের ভেতরে অথবা অজানা কোনো জান্তব মাধ্যমে। ভয় আর ভয়। মৃত্যুর ভয়। পরকালের আগুনের ভয়। ভয়ের মাঠে সুখ বলে কিছু নেই। জাস্ট ভয়কে আঙ্গুল দেখাতে মনের যত আয়োজন হতে পারে কিন্তু পারেনি। ভয় আর ভয়। ভয়ের বাগান চারদিক। বেচে থাকার তীব্র ইচ্ছা খেলা করে বাসনায়। জেলখানা ভাঙার ইচ্ছা থাকে না আসামির। মানুষ আজন্ম আসামি।

দূরে আলো জ্বলছে। শব্দ হচ্ছে কানে। ঢেউয়ের শিবিরে  নীরবতার শব্দ। ঘুমাতে যাও এখন কিংবা আসন্ন সময়ে। ঘুমাতে যাও বন্ধু আমার। ঘুমে ভয় আসবে। ঘুমে ভয় আসবে সাপের কিংবা কুকুরের। কাল ভোর হবে। ভোরে কাল হবে। লোকটি আঙ্গুল চিবাতে চিবাতে মৃত্যুর কথা বলবে।

গ্রাম দেখা যায়। লোকসভা বসবে না। রাজনীতি হবে। মিছিল হবে। শ্রীকৃষ্ণ শ্রীকৃষ্ণ বলে গ্রাম উন্মাদ হয়ে যাবে। আবার যুধিষ্ঠির।  কুরুক্ষেত্র ফিরে আসবে রাজসভার নিরাপদ আসনের সুখসভায়।

ভোর হবে। কাকের সভা সেন্সর পাবে। কুকুর আদালত ডাকবে। মানুষ ঘুমাবে মিষ্টি খেয়ে। সূর্য রোদের প‌রিবর্তে বিতরন করবে প্রচন্ড মাতন্ড তাপ।

আলোর ঘ্রান। আলোর গ্রাম। নিশ্চয় আলোর ঘ্রান সিংহের বগলে ফ্লাট বানাবে। মোহ লাভজনক নয়। মোহকে ফেলে আসলাম মেঘনার জলে। জলে ভেসে থাকে আমাদের প্রাচীনতম ষাঁড়। ঘাড় থেকে প্রথম আলোর চিহ্ন মুছে ফেলে মানুষ এক অতি আদি দানবের নাম। মানুষ এক ফেনায়িত তীরের নাম। চাইলেই পারি নদীর মতো রাত কেটে ফেলতে। চাইলেই পারি জেলের মতো মাছ শিকার করতে।

শিকার! শিকার থেকে আজকের মানুষ। মানুষ এক শিকারের নাম। মানবতা কথাটি স্টকহোম বিথাঙ্গল গ্রাম। আলোর বাজার। মিটিমিটি আলোর বাজার।

বোকামি। চালাকি। চালাকি। বোকামি। তারপর অনেক বছর নির্বাক। নির্বাচন হলে জয় নিয়ে শুরু হবে লাফালাফি। ভালো ত তাই যা নির্বিশেষে নিথিয়া নিথর। নিথর অলি আল্লা ক্লান্ত হয় না মৃত্যুঘুমে। মৃত্যুঘুম এক ভ্রমনের নাম হলে আমিও যাবো অযুত লক্ষ নিযুত কুটির ঘরে।

ঘর থেকে বাহির বাহির থেকে ঘর, তারপর বাহিনির সুপেয় পানি। পানি অথবা জল। জল অথবা পানি। মানুষ হোক মানুষের নিরাপত্তার অতন্দ্র প্রহরী।

সততাকে অভিশাপ দেয়ার পরেও কেউ কেউ মহা মানুষ। মানুষ এমনই কার গলে মালা পরায় কার গলে তুলে দেয় ইলিশ মাছের কাটা মানুষ ন জানে। কেডা জানে কার কপালে পোনা নদীর জল বাকে বাকে খেলা করে হৃদয়ে কচা ঘাটে।

আমরা যে বাসায় উঠলাম তার নামটা অনেক সুন্দর। সুন্দর স্বপ্নের মতো সুন্দর। কিন্তু নামটি ভুলে গেছি। ভুলে গেলে সবুজ মাঠের চিহ্ন হৃদয়ের বারান্দায় ঝুলে থাকে, ঝুলে থাকে, ঝুলে থাকে এবং ঝুলে থাকার কথা আছে।

পাগলে টেকা চিনে। যে পাগল টেকা চিনে না তার লগে বহুদিন থেকে দেখেছি মানুষ বড় একা, দুনিয়া এক ক্যাসিনো আর তথ্য পত্ত তুলার মতো উড়ে আসা বক।

কলে শব্দ থাকে। মনে শব্দ থাকে। বাজারে শব্দ থাকে। ফেইসবুকে শব্দ থাকে। শব্দের অনেক নাম। তিন হাজার কিংবা তার চেয়েও বেশি। শব্দের লেজ ধরে লেফ রাইট লেফ রাইট করতে থাকে সভ্যতার সেনাবাহিনী। রূপালি রোদ আর মিষ্টি আলোর শহরে মিস মাম্পি বেড়াতে গেলে দুর্গাসাগর নিজেকে রহস্যের হাতে সমর্পন করে। তারপর চলে যুগান্তর রূপান্তর, রূপান্তর যুগান্তর। ফুল হয়ে যায় আশাতীত ভুলের নাম।

কীর্তনখোলা নদীর মাঝে দিয়ে বয়ে গেছে জোছনা। আমাদের লঞ্চ কীর্তনখোলা নদীর উপরে। আমাদের লঞ্চ হামাগুড়ি দিয়ে দিয়ে সদরঘাটের পানপাতা শিবের দিকে যাচ্ছে। ভান্ডারিয়া লঞ্চ ঘাটের টুপিওয়ালা মজিদ রোজ মানুষ ঠকানো ব্যবসা করে যাবে, আবার সালামও দিবে বড় করে।

মাছধরা যুবক আমি কীর্তনখোলা নদীর। ঢেউয়ের লগে লগে কথা বলে রাতকে করি সকাল, সকালকে করি রাত। তারপর মানুষ তারপর সমাজ তারপর দেশ তারপর অনেক থিউরি পিউরিকে মাছের বাজারে বিক্রি করি বিনা পয়সায়।