রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০১৪

সৃষ্টি

আকাশ ফেটে রক্ত ঝড়ে
পৃথিবী দেখে বৃষ্টি
মেঘের নিচে রোদের নাচন
মৃত্যু শেখায় সৃষ্টি 

শনিবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৪

মৃত্যুকে কাছ থেকে দেখা

আজ( 11,10,2014,10:5) আমার মৃত্যুদিবস হতে পারতো!
অস্বাভাবিকভাবে  মানুষ যেমন বেঁচে থাকে আমিও বেচেঁ আছি। মৃত্যুকে খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ হলো। আমার পাশের সিটের মানুষগুলো মুনকার-নাকিরের সওয়াল জবাব দিবার জন্য হয়তো প্রস্তুতি নিচ্ছে!
আর আমি!
প্রতিদিনের মতো আজকেও জন্মদিন পালন করছি! অনেক আগে থেকেই প্রতিটি দিনকে শেষ দিন মেনে প্রতিদিনের আনন্দ-দুঃখ ইনজয় করা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।
মহাকালের কাছে আমার কোনো প্রত্যাশা নেই, প্রত্যাশা আমার চোখের সামনের আশা ও স্বপ্নের কাছে, প্রত্যাশা এইমাত্র মনের ভেতর খেলা করা ফুলের কাছে।
আমি আজকে চলে গেলে আমার কিছুই হতো না, তারেক মাসুদের কিছু হয়নি। কিন্তু তারেক মাসুদের শুন্যতা বাংলাদেশর যোগাযোগ ব্যবস্থা পূর্ণ করতে পারবে!!
মৃত্যু থেকে বেঁচে আসা সৈনিক চোখের জলকে পুঁজি করে আপনাদের (যোগাযোগ ব্যবস্থা  যারা ভালো করতে পারেন) অনুরোধ করে বলছি,
প্লিজ যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নে আপনারা আন্তরিক দৃষ্টিপাত করুন।
মৃত্যু আসবে কিন্তু নিশ্চিত মৃত্যুর যমদূতে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশের রাস্তা-ঘাট!
আমরা তো নয় মাসে দেশ স্বাধীন করতে পারি, আমরা কেন পারবো না যোগাযোগ ব্যবস্থাকে  ভীতিকর পরিস্থিতি থেকে পরিত্রান দিতে! 

শুক্রবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৪

সন্ধ্যার প্রকৃতিতে চাঁদনী রাত

বালি চকচক করছে। বালির উপর জোছনার কচকচ আওয়াজ। বালি আর জোছনার বিছানায় শুয়ে আছে মধ্য রাতের কুকুর। কুকুরের চোখ দুটি বন্ধ, পা সামনের দিকে সরলরৈখিকভাবে স্থির। কালো পিঁপড়া কুকুরের  শরীরের দাঁরিয়ে বান্দা খেলছে। কুকুরের কান মাঘনিশীথের পাতার মতো একটু একটু নড়ছে। তাতে পিঁপড়ার মনে কোনো পুলিশীভয় তৈরি হচ্ছে না। কারণ পিঁপড়া জানে না কান নড়ার অর্থ কী!
বালি, জোছনা, পিঁপড়ার এই লাইভ শো দেখে তারেন  অবাক নয়। অবাক হওয়ার কারণ অন্য কিছু। অন্য কিছুটা হলো  মধ্য রাতে কুকুরের ঘুম।
কেন সে ঘুমাচ্ছে?
তারেন  গ্রাম্য কলেজের মাস্টার। গ্রামের মানুষেরা অধ্যাপক, প্রভাষক বুঝে না, মাস্টার বুঝে। মাস্টার শব্দটি তাদের অভ্যাসে, তাদের ভাষিক রক্ত প্রবাহে। এই শব্দটির আড়ালে যে ভয়ের বাণিজ্য লুকিয়ে আছে, লুকিয়ে আছে হাজার বছরের শোষণের স্রোতধারা তা তারা বুঝতে চায়না। গ্রামের মানুষের পীর সাবের নাম হুজুগ, গ্রামের মানুষের কেবলার নাম নগদ!
তারেন আজ রুমে যাবে না, যেতে পারবে না। তার রুমের দাপটে বাসিন্দা আজ মৌমাছি।
এইতো কিছু দিন আগে মৌমাছি রুমে আসে। ধীরে ধীরে বাসা বাঁধে। তারেন মাস্টার সুখবোধ করে। ভাবে প্রকৃতির কত কাছাকাছি সে। প্রকৃতিকে বাড়ির ছাদে, ড্রইংরুমে নিয়ে আসার চেষ্টা এই সময়টার একটা বাতিক।
মৌমাছির চাক বড় হচ্ছে, বড় হচ্ছে তারেন মাস্টারের দৈনিক সুখবোধ। তার মনে ভেসে উঠে চাক ভাঙার রসালো দৃশ্য। চাক ভাঙার সময় হয়তো তার দুই-এক জন প্রিয় বন্ধু সাথে থাকবে। তারা চিয়ার্স করবে। রুমটা প্রাকৃতিক আনন্দে পরিপূর্ণ হয়ে উঠবে। এন্ড্রয়েড ক্যামেরা ধরে রাখবে বিরল কিছু সময়।
কিন্তু প্রকৃতি ক্ষেপে উঠলো। বিনা নোটিশে তারেন মাস্টারের চোখে আক্রমণ। মমতাময়ী মৌমাছি এমন রেগে যেতে পারে!
আহত চোখে রুমে থাকার সাহস করেনি  মাস্টার। আফ্রিকার মেয়েদের ঠোঁটের মতো তার ডান চোখটি ফুলে উঠেছে।বাম চোখটি  এখনো অক্ষত। এই চোখটিকে অক্ষত রাখার জন্যেই  তারেন মাস্টারের রুমে না ফেরার অভিযান, কুকুর, জোছনা আর পিঁপড়ার সাথে কিছু মুহুর্তে ভাগাভাগি।
হঠাৎ কুকুর ঘেউ ঘেউ করে চেচামেচি শুরু করে।
অ, কুকুর টি তাহলে ঘুমাচ্ছিল না, রেস্ট নিচ্ছিলো। রাতে কুকুর রেস্ট নেয় না।
তাহলে?
প্রকৃতির এমন সৌন্দর্যের সাথে চুপিচুপি কথা বলার কোনো পায়চারী হয়তো।
অলস সময় অনেক ভাবনা তৈরি করতে পারে। তারেন মাস্টারও ভাবছে, হতে পারে আগাছা কিংবা পরগাছা ভাবনা। ভাবনা অলস সময়কে বাঁচিয়ে রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
কুকুরের ঘেউ ঘেউ আওয়াজ থেকে দূরে চলে আসে তারেন!
এইভাবে আর কত দূরে চলে আসবে তারেন মাস্টার?
নিজের শিশুমনটাকে কতকাল সান্ত্বনার চকলেট দিয়ে পুষ্টিগুণ অক্ষুন্ন রাখবে --
When I find myself in times of trouble
Mother Mary comes to me
Speaking words of wisdom, let it be
And in my hour of darkness
She is standing right in front of me
Speaking words of wisdom, let it be
Let it be, let it be
Let it be, let it be
Whisper words of wisdom, let it be

বুধবার, ৮ অক্টোবর, ২০১৪

ব্যথানাশক

অভিযোগ বিষাক্ত(বিষ মিশ্রিত)।অভিযোগকারী বিষধর(বিষ ধারণ করে যে)। অভিযোগের সমুদ্রে বসে আমি করি তৃপ্তির মেডিটেশন। আমি জানি, তৃপ্তি ব্যথানাশক।
Accusation is toxic. One who complaints having adder. In the realm of accusation I am busy myself in the content of satisfactory. 

মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর, ২০১৪

দুর্ভোগ

যে বৃষ্টি নিয়ে আপনি কবিতা লেখেন
সেই বৃষ্টিই আমার দুর্ভোগের কারণ
You write in poetry on rain
That rain makes my disaster, episode of hell 

রবিবার, ৫ অক্টোবর, ২০১৪

Let there be light

ভোর মানে কুয়াশার ললিত চাহিদা। প্রতিটি ভোরে যদি কুয়াশা ফোটে একাকার হতো। প্রেমদহন গেয়ে যেত সাঁওতালী গান।
জন্মের সাথে মৃত্যুর শোকসংবাদ। মৃত্যু মানে তালিকাভুক্ত মাটির খাবার। রূহ তরতাজা হয়ে মগ্ন থাকতো কালিদাসপাপে।
পাপ আর পূন্যের তালিকায় জীবন হচ্ছে ভার!
অথচ
জীবন নিয়ে খেলছে সদা অদৃশ্য ডাকাত!
আলেয়ায় পা রাখে না, মন রাখে আজকের সর্দার
তবুও বলে যায় হাসির চিৎকার Let there be light! Let there be light

শনিবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৪

স্বার্থপর

Selfish = Self + -Fish,
Self = One's own self, His better self
Fish = Belonging to

স্বার্থপর = স্বার্থের উপর < স্ব অর্থের উপর

স্বার্থপরতা গুরুত্বপূর্ণভাবে আবশ্যক। স্ব অর্থ বা নিজ সম্পর্কে যার ধারণা পরিষ্কার না, তার মাধ্যমে সমাজের উপকার হতে পারে না। স্বার্থপর হওয়া মানে নিজের অস্তিত্ব রক্ষার ব্যাপারে মৌলিক পদক্ষেপ। স্বার্থপরতা প্রতিটি প্রাণির জন্মগত ও স্বাভাবিক আচরণ।
স্বার্থপরতা আর ভোগবাদী মানসিকতা এক নয়।
আমাদের প্রত্যেকের শরীরে একটি নিদিষ্ট তাপমাত্রা থাকে। এই নিদিষ্ট তাপমাত্রাকে আমরা জ্বর বলি না। বরং এই নিদিষ্ট স্কিলে তাপমাত্রা যদি শরীরে উঠা-নামা না করে তবেই ক্ষতিকর।
তাপমাত্রা যখন নিদিষ্ট মাত্রা অতিক্রম করে আমরা এই বর্ধিত তাপমাত্রাকে জ্বর হিসাবে সনাক্ত করি যা কেবল ক্ষতি কর নয়,  ভয়ানক ভাবে ক্ষতিকর।
স্বার্থপরতা যখন নিদিষ্ট মাত্রায় উঠা-নামা করে তখন তা কল্যাণে মঙ্গলময়। যখন মাত্রা অতিক্রম করে তখন তা ভোগবাদী স্রোতের গতিপথ।
তাই
স্বার্থপরতা জিন্দাবাদ,
ভোগবাদী নিপাত যাক!