পাথরও জলে নেমে স্রোত হয়ে যায়
জীবননদী ভরে উঠে অযথা পানাই
পাথরও জলে নেমে স্রোত হয়ে যায়
জীবননদী ভরে উঠে অযথা পানাই
ঘুড়ি আকাশে উড়ছে
নাটাই হাতে ঘুরছে
ঘুড়ি কিছু সুতা নিয়ে একা একা
নাটাই কিছু সুতা নিয়ে একা একা
ঘুড়ি উড়ে উড়ে যাচ্ছে দূরে
নাটাই ঘুরছে আরও ঘুরছে আরও জুড়ে
বাতাসে বাতাসে ঘুড়ি
নাটাই যেনো হাতের চুড়ি
দুজন আলাদা পথ করেছে বুনন
দেখাদেখির বেড়েছে আয়তন বহুগুণ
মনের সাথে মনের কমেছে ওজন
দিয়েছো প্রেম অসীম
সে প্রেমে রেখেছো আবার দুনিয়াতালা
একতালা
দুইতালা
ছয়তালা
খুলে গেলে দুনিয়াতালা
হৃদয়ে আসে প্রেমের পালা
নরকের আগুন নিভু নিভু
প্রেমে তোমায় ডাকি
ডেকে ডেকে হয়রান হয় না কভু
তোমার স্মরণে শান্তি
বয়ে যায় শান্তি কলবে আমার
তুমি তো অধরার ধরা হে আমার প্রভু
চাই না জান্নাত— লোভের খামার
তোমারে আমার করো
আমারে তোমার
নদী মাটি ভালোবেসে ফুল হয়ে যাই
যারা যত ভালো আছে তাদের জানাই—
আকাশে মেঘ হলে জমিন ভাসে জলে
একা একা ভালো থাকা নয় কোনো কাজ
কাজের নামে জাতপাত আর ন চাই
রাধাসুখ বর্জনে
যৌথসুখে হাসে কানাই
বেদনার দ্বীপে থাকে কবিতারাজ
প্লাস্টিক মুখে কেনো ধরো প্রিয় অকালের সাজ?
একা একা বেচে গেলে মরে গেলে তুমি
তুমি তো জান না প্রিয় বানর স্মৃতিভূমি
শ্রমের কালে রাজা শিয়ালের লেজ
আর কত প্রজা হয়ে মানবে আদেশ?
ভালো থাকার অভিনয়ে আলো ঘরে জ্বলে
থোকা থোকা প্রেমসুখ যায় সরে সরে
সবার মনঘরে ফোটালে হৃদয়
মানুষের বাগানে মানুষের জয়
কাছে যেতে ভয় হয়
দূরে যেতে আরো
বিনয় মস্তকে ডাকি
আমারে তোমার করো
আমার প্রভুকে ডেকে জাগাতে হয় না— তিনি জেগেই থাকেন— আমি বরং প্রায়ই ঘুমিয়ে যাই— ঘুম থেকে জেগে গান ধরি না— কেমনে আমি নিতাই গঞ্জে যাই? আমি নিতাই গঞ্জে যাবো, না নিতাই গঞ্জ আমার কাছে আসবে তা আমার প্রভু ভালোই জানেন— বিশ্বাস করি তিনি উত্তম পরিকল্পনাকারী।
শুনেছি, না কানলে নাকি মাও দুধ দেয় না— মা পৃথিবীতে মানবিক গুন নিয়ে এসেছেন— মানবিক গুনের প্যারামিটার ধরে প্রভুর দয়া মাপতে যাবেন কেনো হে জ্ঞানী!? ডিম পারার পর মুরগির ডাক আপনার কাছে অসহ্য লাগে— আমার কাছেও। সৃষ্টির ডাক বুঝি না যে আমি সেই আমি স্রষ্টার ডাক বুঝে ফেলবো কেমনে বুঝলেন হে বক্তা!?
নীরবে যে ঝিনুক ব্যথা নিয়ে মুক্তা ফলায় তার কাছে বসে থাকি আরও নীরবে।
আমরা একটা নদী পালবো
সকাল বিকাল রাত দুপুরে
দিবো চুমু নিয়ম করে
নদীকে বেড়াতে নিয়ে যাবো
নদীর কান্না পেলে উপহার দিবো
নদীকে উপহার দিবো সূর্য
দিবো আধার রাতের জোছনা
নদীকে উপহার দিবো চৈত্র মাসের আশারি বৃষ্টি
নদীতে ভাসাবো থালার মতো প্রেমারি নৌকা
একটা পাহাড়ও থাকবে আমাদের পোষা নদীর ঘরে
রাতে ঘুম ভেঙে গেলে
গোধূলি নামলে চোখের ডানায়
নদীর চুলে বেড়াতে যাবো তোমাকে নিয়ে
তোমাকে নিয়ে বসে থাকবো জলের পাড়ে অনেকদিন
বসে থাকবো— চোখে চোখে
বসে থাকবো— হাতে হাতে
বসে থাকবো— কথায় কথায়
আমরা জানি
হাসতে গেলেও কাটা লাগে এই সমাজে
আমরা জানি
হাটতে গেলেও মুখে ধরে কথার ভাজে
তুমি আমি ঘর বানাবো সাগর ধরে নদীর পাড়ে