সাম্যবাদী স্লোগানধারী সম্প্রদায়কে সিগারেটের মোড়ক মনে হয় যেখানে লেখা ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর
সোমবার, ৩১ অক্টোবর, ২০১৬
রবিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০১৬
কালা নানা
এই মুহূর্তে আমার কালা মিয়ার কথা মনে পড়ছে। কালা মিয়া মানে কালা নানা। কালা নানা মানে আমাদের স্কুলের দাপ্তরিক কাজের একজন। সে দেখতে নাকি কালো ছিল, তাই তার নাম কালা মিয়া। কিন্তু আমার চোখে এখন তার যে রং ভাসতেছে তা মোটেও কালো নয়, কফি কালারের সাথে মেটে মেটে একটি রং।
প্রতিটি ঘন্টার নীরব স্বাক্ষী ছিল সে। তার দুটি হাত এবং দুটি মুখ ছিল। হাত ও মুখ যখন কারো সমান সমান হয় ব্যক্তিটি তখন বাঁকাপন্থী। বাঁকাপন্থী মানুষ ভালো বা খারাপ এমন কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। তবে বলতে পারি ঘটনাকে বাঁকা করে দেখা এবং বলার মধ্যে তাদের সুখ।
এখন আসি কাজের কথায়। স্কুলে একজন ভদ্র ছাত্র এবং একজন ভদ্র ছাত্রীকে পুরষ্কার দেয়া হবে। খেলাধূলা, ভালো ছাত্রের পুরস্কার ততদিনে আমার হাতে চলে আসছে। এখন যদি ভদ্র ছাত্রের পুরষ্কার নিতে পারি তাহলে তো হলোই-- বাংলা সিনেমার নায়ক রুবেলের যে পার্ট আমার গতরে এমন একখান পার্ট নাইম্মা আইবো।
তারপর সব দুষ্টুমির মুখে লাগাম দিলাম। ক্লাস শুরু হবার আগে স্কাউটের নিয়মমাফিক ব্যায়াম করানো হতো, ব্যায়াম শুরু হবার আগে কোরআন তেলাওয়াত হতো। জনাব তোফাজ্জল স্যার আমাদের স্কাউট টিচার।
রেজা কোথায়?
জ্বি স্যার।
সারির একেবারে পেছনে আমি দাঁড়াতাম। পেছনে দাঁড়ানোর একটি রাজনৈতিক কারন আছে। পেছন থেকে সামনে আসতে আসতে সময় লাগতো তো দুইএক মিনিট। দুইএক মিনিটের পুরো সময়টাই সবার অপেক্ষামন ছিল আমার দিকে। এই বিষয়টি খুব ইনজয় করতাম।
কোরআন তেলাওয়াত শুরু করতাম। আমি প্রথম স্কুলে তেলাওয়াতের পর বাংলা অনুবাদ করতাম। মাঝেমাঝে প্রথমে কোরআন তেলাওয়াত, তারপর তেলাওয়াতকে ইংরেজিতে অনুবাদ, তারপর বাংলা অনুবাদ। আমাদের স্কুলে কোনো বিদেশি ছাত্র বা শিক্ষক ছিল না। তাহলে কেন আমি ইংরেজিতে অনুবাদ করতাম? করার একটাই উদ্দেশ্য ছিল-- নিজেকে জাহির করা-- সবাই জানুক আমি ইংরেজিতে পারদর্শী। জাহির করার পেছনের কারন হলো ভদ্র পুরষ্কার। অর্থাৎ এমনভাবে তৈরি হচ্ছি যেন ভদ্র পুরস্কার আমার দিকে আসতে কোনো বাধাই না থাকে।
আব্বা কোনোদিনই অভিভাবকগিরি দেখানোর জন্য স্কুলে যায় নাই। অথচ তার প্রত্যেক সন্তান স্কুলের মেধাবীদের একজন ছিল। সেদিন হেডস্যার আব্বাকে কেন যেন ডাকলেন। আব্বাকে স্কুলে দেখে আমি রীতিমত বিস্মিত।
কালা নানা আব্বাকে দেখামাত্র আমাকে বলে 'লাক, আজকে তোর নামে বিচার দিমু। আমি তো জানি আমার নামে বিচার দেয়ার কিছু নেই। তারপরও সে হেডস্যারের সামনে আব্বার কাছে আমার সম্পর্কে বিচার দিয়েছিল। কী বিচার দিয়েছিল আব্বা আমাকে কোনোদিন বলেনি। আম্মার কাছ থেকে জানতে পারি আমার নামে কালা মিয়ার পক্ষ থেকে অভিযোগ দাখিল হয়েছিল।
তিনচার দিন পর ভদ্র পুরস্কার ঘোষনা করা হয়। ভদ্র পুরষ্কারে আমার নাম নেই! এতো আলোময় সূর্যটা হঠাৎ করে নিবে যায়, রাতের আকাশে অনেক তারা থাকার কথা কিন্তু কোনো তারা নেই, কার্তিক মাসের অনবরত বৃষ্টি আমার হৃদয়ে বয়ে যেতে লাগলো।
বাড়ি গেলে কালা মিয়ার সাথে দেখা হয়। এখন আর সে স্কুলে নেই। তাকে স্কুল থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। স্কুল থেকে বের করে দেয়ার কারন জানতে চাই। কালা মিয়া কারন জানে না। স্কুলের কথা বললেই তার অধর আর ওষ্ঠের মাঝপথ দিয়ে একটি চিকন দীর্ঘশ্বাস বের হয়ে আসে, আমি তখন তাকে একটি মালবরো এডবান্স সিগারেট কিনে দেই। সে তখন আস্তে আস্তে সিগারেট টানে। সিগারেটের ধোঁয়ার সাথে সাথে তার গরম দীর্ঘশ্বাস আরও দীর্ঘ হতে থাকে
প্রতিটি ঘন্টার নীরব স্বাক্ষী ছিল সে। তার দুটি হাত এবং দুটি মুখ ছিল। হাত ও মুখ যখন কারো সমান সমান হয় ব্যক্তিটি তখন বাঁকাপন্থী। বাঁকাপন্থী মানুষ ভালো বা খারাপ এমন কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। তবে বলতে পারি ঘটনাকে বাঁকা করে দেখা এবং বলার মধ্যে তাদের সুখ।
এখন আসি কাজের কথায়। স্কুলে একজন ভদ্র ছাত্র এবং একজন ভদ্র ছাত্রীকে পুরষ্কার দেয়া হবে। খেলাধূলা, ভালো ছাত্রের পুরস্কার ততদিনে আমার হাতে চলে আসছে। এখন যদি ভদ্র ছাত্রের পুরষ্কার নিতে পারি তাহলে তো হলোই-- বাংলা সিনেমার নায়ক রুবেলের যে পার্ট আমার গতরে এমন একখান পার্ট নাইম্মা আইবো।
তারপর সব দুষ্টুমির মুখে লাগাম দিলাম। ক্লাস শুরু হবার আগে স্কাউটের নিয়মমাফিক ব্যায়াম করানো হতো, ব্যায়াম শুরু হবার আগে কোরআন তেলাওয়াত হতো। জনাব তোফাজ্জল স্যার আমাদের স্কাউট টিচার।
রেজা কোথায়?
জ্বি স্যার।
সারির একেবারে পেছনে আমি দাঁড়াতাম। পেছনে দাঁড়ানোর একটি রাজনৈতিক কারন আছে। পেছন থেকে সামনে আসতে আসতে সময় লাগতো তো দুইএক মিনিট। দুইএক মিনিটের পুরো সময়টাই সবার অপেক্ষামন ছিল আমার দিকে। এই বিষয়টি খুব ইনজয় করতাম।
কোরআন তেলাওয়াত শুরু করতাম। আমি প্রথম স্কুলে তেলাওয়াতের পর বাংলা অনুবাদ করতাম। মাঝেমাঝে প্রথমে কোরআন তেলাওয়াত, তারপর তেলাওয়াতকে ইংরেজিতে অনুবাদ, তারপর বাংলা অনুবাদ। আমাদের স্কুলে কোনো বিদেশি ছাত্র বা শিক্ষক ছিল না। তাহলে কেন আমি ইংরেজিতে অনুবাদ করতাম? করার একটাই উদ্দেশ্য ছিল-- নিজেকে জাহির করা-- সবাই জানুক আমি ইংরেজিতে পারদর্শী। জাহির করার পেছনের কারন হলো ভদ্র পুরষ্কার। অর্থাৎ এমনভাবে তৈরি হচ্ছি যেন ভদ্র পুরস্কার আমার দিকে আসতে কোনো বাধাই না থাকে।
আব্বা কোনোদিনই অভিভাবকগিরি দেখানোর জন্য স্কুলে যায় নাই। অথচ তার প্রত্যেক সন্তান স্কুলের মেধাবীদের একজন ছিল। সেদিন হেডস্যার আব্বাকে কেন যেন ডাকলেন। আব্বাকে স্কুলে দেখে আমি রীতিমত বিস্মিত।
কালা নানা আব্বাকে দেখামাত্র আমাকে বলে 'লাক, আজকে তোর নামে বিচার দিমু। আমি তো জানি আমার নামে বিচার দেয়ার কিছু নেই। তারপরও সে হেডস্যারের সামনে আব্বার কাছে আমার সম্পর্কে বিচার দিয়েছিল। কী বিচার দিয়েছিল আব্বা আমাকে কোনোদিন বলেনি। আম্মার কাছ থেকে জানতে পারি আমার নামে কালা মিয়ার পক্ষ থেকে অভিযোগ দাখিল হয়েছিল।
তিনচার দিন পর ভদ্র পুরস্কার ঘোষনা করা হয়। ভদ্র পুরষ্কারে আমার নাম নেই! এতো আলোময় সূর্যটা হঠাৎ করে নিবে যায়, রাতের আকাশে অনেক তারা থাকার কথা কিন্তু কোনো তারা নেই, কার্তিক মাসের অনবরত বৃষ্টি আমার হৃদয়ে বয়ে যেতে লাগলো।
বাড়ি গেলে কালা মিয়ার সাথে দেখা হয়। এখন আর সে স্কুলে নেই। তাকে স্কুল থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। স্কুল থেকে বের করে দেয়ার কারন জানতে চাই। কালা মিয়া কারন জানে না। স্কুলের কথা বললেই তার অধর আর ওষ্ঠের মাঝপথ দিয়ে একটি চিকন দীর্ঘশ্বাস বের হয়ে আসে, আমি তখন তাকে একটি মালবরো এডবান্স সিগারেট কিনে দেই। সে তখন আস্তে আস্তে সিগারেট টানে। সিগারেটের ধোঁয়ার সাথে সাথে তার গরম দীর্ঘশ্বাস আরও দীর্ঘ হতে থাকে
শনিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৬
পু
মানুষ তার শত্রুকে চিনে না, মানুষ তার বন্ধুকেও চিনে না, মানুষ চিনে তার নিকটতম প্রয়োজনকে, মানুষ শুনে ঠোঁটের কাছের কথা, হৃদয়ের শব্দ আর তারা শুনতে পাই না। পুকুরের পানি পরিবর্তন করা লাগবে।
শুক্রবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৬
কবে
কবিতা ইজ কবিতা, ভালো কিংবা খারাপ বলে কিছু নেই। হয় কবিতা নতুবা কবিতা নয় এমন। ভালো ভগবান, খারাপ ভগবান বলে কিছু নেই। হয় ভগবান নয় অসুর।।
আমার ভগবানের নাম কবিতা, রোজ তার দেখা পাই স্বপ্নের ভেতর শিশুর মতো হাঁটতে থাকে। আমি তার শরীরে পূজা দেই, নিজেকে সমর্পন করি তার সামনে আপন মহিমায়।
তোমাদের ভগবানও কবিতার মধ্য দিয়ে নিজেকে দেখায়। কবিতার মতো করে ভগবানকে চিনি। ভগবানও কবিতার ভাঁজে ভাঁজে মেলে ধরে নিজের শরীর, মানুষের মুখে মুখে আরও শুনি যতসব লেখাবাজ কথামালা কবিতার দলিল।
ভগবান কবিতার কাছে নতজানু হয়েছি আজ। কবিতার সাথে প্রেমের বাড়িতে বসে থাকা, অনেকটা চাঁদের বুড়ির মতো আমার কাজ।। মন্দির প্রার্থনা স্বরসতী অর্চনা সবকিছু গেছি ভুলে, আমার হৃদয় সময়ের খেলা খেলে কবিতার দলে, কবিতা চললে আমার হৃদয় চলে।
আমার ভগবানের নাম কবিতা, রোজ তার দেখা পাই স্বপ্নের ভেতর শিশুর মতো হাঁটতে থাকে। আমি তার শরীরে পূজা দেই, নিজেকে সমর্পন করি তার সামনে আপন মহিমায়।
তোমাদের ভগবানও কবিতার মধ্য দিয়ে নিজেকে দেখায়। কবিতার মতো করে ভগবানকে চিনি। ভগবানও কবিতার ভাঁজে ভাঁজে মেলে ধরে নিজের শরীর, মানুষের মুখে মুখে আরও শুনি যতসব লেখাবাজ কথামালা কবিতার দলিল।
ভগবান কবিতার কাছে নতজানু হয়েছি আজ। কবিতার সাথে প্রেমের বাড়িতে বসে থাকা, অনেকটা চাঁদের বুড়ির মতো আমার কাজ।। মন্দির প্রার্থনা স্বরসতী অর্চনা সবকিছু গেছি ভুলে, আমার হৃদয় সময়ের খেলা খেলে কবিতার দলে, কবিতা চললে আমার হৃদয় চলে।
চয়া
কারো হৃদয়ে যখন ভালো চিন্তা থাকে সেই ভালো চিন্তার জায়গাটিকে আমি ফুলের বাগান বলি যার গন্ধ মানুষ পায় মৌমাছি থাকুক কিংবা না থাকুক
Will
Will not I go in the space
Will not I go in the moon
I am here among the men within the agony and peace
Dislike the death though it is much possible doze
Here is here is the accident lips sweetest kiss
No way to go no wish is bound of the abroad step
Here is heaven in the prophet of sense
See nothing say nothing just keep poking in the sense of time
Everything in mind every cultivation on eye is possible
Blind door firing alone
Go for book go for the bond dear
Keep singing and singing and will be I right there in time
Will not I go in the moon
I am here among the men within the agony and peace
Dislike the death though it is much possible doze
Here is here is the accident lips sweetest kiss
No way to go no wish is bound of the abroad step
Here is heaven in the prophet of sense
See nothing say nothing just keep poking in the sense of time
Everything in mind every cultivation on eye is possible
Blind door firing alone
Go for book go for the bond dear
Keep singing and singing and will be I right there in time
বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১৬
ভান্ডার
আমাদের ভানুসিংহের আক্ষেপ ছিল মাঝে মাঝে তার দেখা পায় চিরদিন কেন পায় না। চিরদিন যারে পাওয়ার ইচ্ছা তার দেখা মাঝে মাঝে পাইলেই বেটার। শীত আর সূর্যের আদরে যে গাছ বেড়ে ওঠে তার পুষ্টিমান অনেক ভালো। তাইতো প্রতিদিন নিয়মতান্ত্রিক ব্যস্ততার মধ্যে যখন একদুইদিন ছুটি পাওয়া যায় তখন স্বাভাবিকভাবেই আলিফ লাইলার সিন্দবাদ হয়ে রাতের জলে জাহাজ ভাসাতে ইচ্ছা করে এবং বাস্তবায়নও করি।
এখান থেকে সেখানে, সেখান থেকে এখানে-- এমন করে রাতজাগাপাখি হয়ে ছুটি উপভোগে ব্যস্ত কতিপয় বিন্দুবোধের দল। আমরা যারা বিন্দুবোধের সদস্য তারা তাবৎ পৃথিবীর তাবলিক রাতের জলে ভাসা জাহাজে নিয়ে আসি, আর বাতাসের স্রোতে ভাসিয়ে দেই আমাদের বিশ্লেষন।
আজকে কথা হচ্ছিল সার্বিয়া নিয়ে, কথা হচ্ছিল জেনেভা ক্যাম্প নিয়ে, কথা হচ্ছিল ওমর মুভিটি নিয়ে যেখানে প্রেমিক দম্পতি বাংলাদেশ হানিমুনে আসার ব্যাপারে হাস্যরসের কারখানায়, কথা হচ্ছিল পুরান ঢাকা আর কলকাতার মধ্যে সাদৃশ্য নিয়ে, কথা হচ্ছিল আমগো ডিপজলকে নিয়ে, পিডোফাইল বিষয়টি নিয়ে। আরও আরও বিষয় নিয়ে। কথা ফুরায় না, ছুটির সময় ফুরিয়ে যায়!
এখান থেকে সেখানে, সেখান থেকে এখানে-- এমন করে রাতজাগাপাখি হয়ে ছুটি উপভোগে ব্যস্ত কতিপয় বিন্দুবোধের দল। আমরা যারা বিন্দুবোধের সদস্য তারা তাবৎ পৃথিবীর তাবলিক রাতের জলে ভাসা জাহাজে নিয়ে আসি, আর বাতাসের স্রোতে ভাসিয়ে দেই আমাদের বিশ্লেষন।
আজকে কথা হচ্ছিল সার্বিয়া নিয়ে, কথা হচ্ছিল জেনেভা ক্যাম্প নিয়ে, কথা হচ্ছিল ওমর মুভিটি নিয়ে যেখানে প্রেমিক দম্পতি বাংলাদেশ হানিমুনে আসার ব্যাপারে হাস্যরসের কারখানায়, কথা হচ্ছিল পুরান ঢাকা আর কলকাতার মধ্যে সাদৃশ্য নিয়ে, কথা হচ্ছিল আমগো ডিপজলকে নিয়ে, পিডোফাইল বিষয়টি নিয়ে। আরও আরও বিষয় নিয়ে। কথা ফুরায় না, ছুটির সময় ফুরিয়ে যায়!
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)