স্কুল ছুটি দিলেও আমি বেঞ্চে বসে থাকতাম, আস্তে করে কান রাখতাম বেঞ্চের শরীরে, উপলব্ধি করার চেষ্টা করতাম তার নীরব ভাষা, বেঞ্চ কারো জন্য বসে থাকে না, বেঞ্চ বসে থাকে কেবল নিজের জন্য, বেঞ্চের তো আর হৃদয় নেই
মঙ্গলবার, ৩১ মে, ২০১৬
পরীক্ষা
অপারেশন থিয়েটারে রোগীকে নেয়া হয় সুস্থ করার উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে, পরীক্ষাহলে ছাত্রকে নেয়া হয় অসুস্থ করার উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে। ছাত্র পরীক্ষা দেয়ার সাথে সাথে যেন হালকা হয়ে গেলো-- নে বাপ, বাঁচা গেলো।
তারপরও আমার কাছে পরীক্ষাহল বাসরঘর, প্রশ্নপত্র প্রিয়তমা বান্ধবী। আমি কিন্তু পরীক্ষাহলে মিষ্টি খেয়ে ঢুকি।
তারপরও আমার কাছে পরীক্ষাহল বাসরঘর, প্রশ্নপত্র প্রিয়তমা বান্ধবী। আমি কিন্তু পরীক্ষাহলে মিষ্টি খেয়ে ঢুকি।
সোমবার, ৩০ মে, ২০১৬
!......
তুমি জয়ী হলে সবচেয়ে বেশী আনন্দিত হই আমি, কারন বীজগনিত পাটিগনিত অনেক আগেই ভুলে গেছি
জং
মুখস্থ করে তোতাপাখিও কিছু নাম বলতে পারে, মুখস্থ করা একটি কাজ তবে প্রতিভার পর্যায়ে পড়ে না, মুখস্থের পর্যায়কে উন্নতির মানদন্ড ধরে নিলে মানুষ এখনো তোতাপাখির মতো হয় জঙল নয় খাঁচায় থাকতো
রবিবার, ২৯ মে, ২০১৬
আমগো লোক
প্রেম কখনো ভাঙে না, আকাশে উড়ে যায়। কপিলা কুবের মাঝির সাথে থাকার ব্যাপারে প্রত্যয়ী। কুবের মাঝিও তাতে খুশী। কপিলার ছলাৎছলাৎ হাসি কুবের মাঝির হৃদয়ের পাড় ভেঙ্গেছে যে কতবার তার কোনো হিসাব নাই-- তাতেও মাঝি হতাশ না।
আরে ভাই, চাকর না হইতে পারলে হতাশা না অইলে বিষয়টি কেমন আনকোরা আনকোরা লাগে কিন্তু প্রেমিকারে না পাইলে হতাশ হইবার কিচ্চু নাইগা।
যে প্রিয়জন হৃদয় পর্যন্ত এসেছে, রান্নাঘরে তাকে না আনলেও তো চলে!
কপিলা কুবের মাঝির কাছে আহে নাই, আইছে স্বাধীনতার কাছে, সংসার নামক জেলখানা না পছন্দের কপিলার, না কুবেরের-- তারা দুজনই জেলখানাকে টা টা জানাইছে।
আমগো কুবের মাঝি আর শেষের কবিতার অমিত কিন্তু এক চরিত্রের না-- মাঝি জীবন নিয়ে চলে আর অমিত জীবন আমদানি করে। লাবণ্য প্রেমের দোকানি, আর কপিলা জীবন নামক গল্পে আমগো আসমানী।
আরে ভাই, চাকর না হইতে পারলে হতাশা না অইলে বিষয়টি কেমন আনকোরা আনকোরা লাগে কিন্তু প্রেমিকারে না পাইলে হতাশ হইবার কিচ্চু নাইগা।
যে প্রিয়জন হৃদয় পর্যন্ত এসেছে, রান্নাঘরে তাকে না আনলেও তো চলে!
কপিলা কুবের মাঝির কাছে আহে নাই, আইছে স্বাধীনতার কাছে, সংসার নামক জেলখানা না পছন্দের কপিলার, না কুবেরের-- তারা দুজনই জেলখানাকে টা টা জানাইছে।
আমগো কুবের মাঝি আর শেষের কবিতার অমিত কিন্তু এক চরিত্রের না-- মাঝি জীবন নিয়ে চলে আর অমিত জীবন আমদানি করে। লাবণ্য প্রেমের দোকানি, আর কপিলা জীবন নামক গল্পে আমগো আসমানী।
তোকে
এখনো তোকে নিয়ম করে দেখি
তোর নিয়মে অনিয়মটা শিখি
তোর নিয়মে অনিয়মটা শিখি
শনিবার, ২৮ মে, ২০১৬
মাচুংকা
এক সময় পৃথিবীতে প্রচুর গাছ ছিল। জঙ্গল। জঙ্গলে বসবাস করে মানুষ। মানুষের সাথে পোকামাকড় পশু পাখিও বসবাস করে। পোকামাকড় পশু পাখির আক্রমন থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মানুষ নির্মান করে মাচা। একটু উঁচু জায়গা।
মাচাতে শরীরযাপন করে মানুষ আগের চেয়ে নিরাপদবোধ করে। আরও আরও নিরাপত্তার জন্য মানুষ চেষ্টা করতে থাকে।
চেষ্টায় কি না হয়!
আজকের মানুষ নির্মান করেছে সুন্দর আবাসভূমি-- এখানে পশু পাখি পোকামাকড় ঢুকবে তো অনেক দূরের কথা, প্রাকৃতিক তাপ পর্যন্ত ঢুকতে পারে না। শীতাতপনিয়ন্ত্রিত!
তাপনিয়ন্ত্রিত রুমে পোকামাকড় নেই কিন্তু মানুষ আছে! মানুষকে পোকামাকড়ের চেয়ে বিষধর দেখায় যার জন্য মানুষের রুমের ভেতর তৈরি হয় রুম আর রুম মাচা আর মাচা। একটু উঁচু জায়গা, একটু বেশি নিরাপদ থাকনভূমি ....
মাচাতে শরীরযাপন করে মানুষ আগের চেয়ে নিরাপদবোধ করে। আরও আরও নিরাপত্তার জন্য মানুষ চেষ্টা করতে থাকে।
চেষ্টায় কি না হয়!
আজকের মানুষ নির্মান করেছে সুন্দর আবাসভূমি-- এখানে পশু পাখি পোকামাকড় ঢুকবে তো অনেক দূরের কথা, প্রাকৃতিক তাপ পর্যন্ত ঢুকতে পারে না। শীতাতপনিয়ন্ত্রিত!
তাপনিয়ন্ত্রিত রুমে পোকামাকড় নেই কিন্তু মানুষ আছে! মানুষকে পোকামাকড়ের চেয়ে বিষধর দেখায় যার জন্য মানুষের রুমের ভেতর তৈরি হয় রুম আর রুম মাচা আর মাচা। একটু উঁচু জায়গা, একটু বেশি নিরাপদ থাকনভূমি ....
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)