শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০১৫

মানুষ

মানুষগুলো অন্য রকম 
আঁকাবাঁকা কথা বলে
মানুষগুলো অন্য রকম
সাপের মতো হেসে চলে
মানুষগুলো অন্য রকম
অন্ধকারকে আলো বলে
মানুষগুলো অন্য রকম
হিংসা থেকে নিন্দা করে
মানুষগুলো অন্য রকম
ছায়া দেখে মায়ায় পড়ে
মানুষগুলো অন্য রকম
আলেম আলেম মুখোশ পরে
মানুষগুলো অন্য রকম 
প্রয়োজনের হিসাব করে 
মানুষগুলো অন্য রকম 
নারীদেহে মাংস খোঁজে
মানুষগুলো অন্য রকম
কুকুর-বেড়াল আওয়াজ তুলে 
মানুষগুলো অন্য রকম
কেল্লা কেটে পুন্য করে
মানুষগুলো ভিন্ন রকম
চোখের জলে আকাশ ধরে
মানুষগুলো অন্য রকম
অন্য রকম নিজের ঘরে
মানুষগুলো অন্য রকম
অন্য রকম চোখের ভাঁজে, মনের ভেতর খুব গোপনে
আকাশ-পাতাল অন্য রকম
অন্য রকম চোখে চোখে 
আমি কেন একই রকম ঝরে পড়া পাতার মতন

বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০১৫

ব্যথা

ব্যথা বাড়ছে। ব্যথা বাড়ছে। ব্যথার কোলাহল। ব্যথার কোলাহল চরম থেকে চরমে। ব্যথার কোলাহল যখন প্রান্তিক সীমায় অভিধানে তখন যুক্ত হয় একটি শব্দ-- প্রসবব্যথা। প্রসব ব্যথায় মাগো তুমি জ্ঞান হারালে। তুমি জ্ঞান হারানোর সাথে সাথে পৃথিবীতে আমার জ্ঞান ফিরে। পৃথিবীতে আমার জন্ম।

প্রতিটি জন্মই তাহলে ব্যথার ফল?

আজ ভরা যৌবনে আমারে জন্ম দিল যে নারী তার ব্যথা কি প্রসব ব্যথার চেয়ে কোনো অংশে কম? 

আমার দেখা সিলেট

ক্বীন ব্রীজ। সুরমা নদীর অলঙ্কার। ক্বীন ব্রীজ আসামের গভর্নর মাইকেল ক্বীনের স্মৃতি বহন করে আছে। সুরমাকে নদীর মা বলা হয়। সুরমা নদীর মা বরাক নদী।  মণিপুর পাহাড়ের মাও সংসাং হতে বরাক নদীর উৎপত্তি।  বাংলাদেশ সীমান্তে নদীটি দুই শাখায় বিভক্ত।  উত্তরের শাখাটি সুরমা নদী, আর দক্ষিণের শাখার নাম কুশিয়ারা নদী। সুরমা নদী সিলেট এলাকায় প্রবেশ করে , আর তাতেই সুরমা অববাহিকার সৃষ্টি।

ক্বীন ব্রীজ ধনুকের শরীরের মতো বাঁকানো। ব্রীজের উপরিভাগ পিঞ্জিরার মতো। এই ব্রীজে এখনো পাঁচ টাকায় দাস পাওয়া যায় যারা বসে থাকে ব্রীজের গোড়ায়। তাদেরকে ঠেলা বলা হয়। ব্রীজটি যথেষ্ট ঢালু  হওয়াতে রিক্সা চালকের পক্ষে রিক্সা উপরে ওঠানো বেশ কষ্টসাধ্য। আর পেসেঞ্জার তো মহা মনিব। তাই রিক্সা যাতে ঢালু খাড়া ব্রীজপথ বেয়ে উপরে ওঠতে পারে সেইজন্য রিক্সার পেছন থেকে ধাক্কা দেয় এই ঠেলা।

ক্বীন ব্রীজের নিচের সুরমা নদী দেখলে অনুধাবন করা যায় নদীর স্রোতোকাহিনি। পানি যথেষ্ট ময়লা। তারপরও চোখের সাথে মনের সম্পর্ক তৈরি করে দেয় এই সুরমা নদীর জল।

সুরমা নদী, উপরে ক্বীন ব্রীজ, নদীর কিনারে চায়ের দোকান, ফাস্টফুড দোকান। ফাস্টফুডের সাথে এখনো আমার প্রিয় রসহ্য গড়ে ওঠে নি। তাই চা-ই খাচ্ছি। এক কাপ- দুই কাপ - তিন কাপ। ঠোঁটে গরম পানি, চোখে স্রোতোস্বিনী সুরমা, স্নিগ্ধ বিকালের চমৎকার মায়াবী কালার। তাইতো মনে পৃথিবীর প্রশান্তি। হঠাৎ চোখে পড়ে সুরমা রিভার ক্রুজ। টিকেট চারশত বিশ টাকা। সময় এক ঘন্টা। অত্যন্ত রুচিশীল খাবার তালিকা। এই ক্রুজের ভ্রমণবাসিন্দা হওয়া মানে ভিন্ন রকমের অনুভূতি। খাওয়া, সুরমা নদীর স্রোতে ভেসে থাকা। একজন নারী, একজন রমণী অঙ্গদুলালী গানও শুনাবে আপনাকে -- হাজার দর্শক মন মজায়া নাচে রে সুন্দরী কমলা। এই সুরমাপৃথিবীর কাছে চমৎকার একটি সন্ধ্যাসময় যাপন করলাম। চমৎকার।

প্রশান্তির বিছানা বিছনাকান্দি....

আম্বরখানা থেকে সিএনজিতে ওঠলাম। উদ্দেশ্য বিছনাকান্দি। রাস্তার দুপাশে নয়নাভিরাম দৃশ্য। যতই গভীরে যাচ্ছি মনে হচ্ছে এই বুঝি বিছনাকান্দি। কিন্তু না, মক্কা বহুত দূর হে। যা দেখছি তা যেন টুকরো টুকরো জান্নাত-- জল, সমুজ আর আকাশের মেলা। তোয়াকুল ইউনিয়নে যখন আমাদের সিএনজি তখন আমি প্রায় মাতাল।

ইয়া মাবুদ, আমি এ কী দেখছি!

আমার তখন মনে হয়েছে যারা প্রোফেসনাল কিলার তারাও যদি এই দৃশ্য দেখে তারা চিরদিনের জন্য ভালো হয়ে যাবে। ধর্ষকের সৌন্দর্যচেতনা বৃদ্ধি পাবে, নারীকে কেবল মাংস মনে হবে না।

বিছনাকান্দি আসলাম। গরম সিঙাড়া দেখলে আমি একটু লোভী হয়ে ওঠি। এখানে যে কয়েকটি দোকান আছে তা একেবারে সাধাসিধা। সিঙাড়া খেতে পারিনি। কারণ স্বাদ কেমন যেন নোনতা পানসে। এখান থেকে নৌকা দিয়ে মূল স্পটে যাওয়া যায়, আবার হেঁটেও যাওয়া যায়। হেঁটে রওয়ানা হলাম। গ্রামগুলো প্রকৃতি লালিত। প্রকৃতির বাতাসে ভেজা ঘ্রাণ।

গ্রাম পেছনে ফেলে আসার পর যা দেখলাম তা প্রকাশ করার ভাষা আমার কেন, কারোই নেই। সবুজ পাহাড়, রঙিলা আকাশ জোম হয়ে চোখের ভেতর চলে আসছে। সৌন্দর্যের সংজ্ঞা আমার কাছে পরিবর্তন হতে লাগলো। এতদিন সৌন্দর্য সম্পর্কে আমার যে ধারণা ছিল তা একেবারে পরিবর্তন হয়ে গেল। আমার দেহে আমার মন ছিল না। চাঁদ আর সূর্য যখন এক রেখায় চলে আসে তখন পৃথিবী থেকে জল ফিনকি দিয়ে বের হয়ে যেতে চায়, বিছনাকান্দির অসীম প্রিয়ার আহবানে আমার মনও দেহ থেকে ফিনকি দিয়ে বের হয়ে যায়।

বিছনাকান্দি আমার প্রথম প্রেমিকা যার জন্মের ইতিহাস কেউ জানে না, অনুমান করতে পারে, যার মৃত্যু কেউ কোনোদিন কামনা করে না।

পাহাড়, সবুজাভ পাহাড়। পাহাড়কে রঙিলা করে কখনো শুভ্র মেঘ, কখনো কালিয়া মেঘ, কখনো শিশির কনা। পাহাড়ের বুক-পথে জনবসতির মাটির দিকে নেমে আসছে ঝর্ণা।ঝর্ণা নয়, শাদা শাদা মেঘ যেন নেমে আসছে পৃথিবীর মানুষের কাছে। ঝর্ণা মানুষের জন্য নিয়ে আসে পাথরউপঢৌকন।

ঝর্ণার শীতল পানিতে বসে অনেক্ষণ ধ্যানস্থ ছিলাম। জল হয়ে পাহাড়ে গেলাম, পাহাড় থেকে মেঘে , মেঘ থেকে সাগরে, সাগর থেকে মহাসাগরে। মহাসাগরে গিয়ে দেখি চিরচেনা আমি। চোখ মেললাম। দেখি ঝর্ণার স্রোত থেকে  পানি নিতে আসলো এক পাহাড়ি কন্যা। পাহাড়ি কন্যা দেখলেই কোনো এক গোপন ভালোলাগা তৈরি হয় আমার হৃদয়ের আকাশে, তারা কেবল পাখি হয়ে উড়ে, আর আমার পাখি পাখি মন তখন পাখিদের দলে। ঝর্ণার পাথরে বসে গান ধরলাম --

ও পাহাড়ি কন্যা
পিছু ফিরে দেখ না
একবার তুমি আমার।।

তোমার চোখের নজর যেন নয়
আকাশের তারা তেমনি হয়।।

জলের গায়ে শব্দ আটকে যায়। তারপরও মৃদু শব্দ পাহাড়ি কন্যার কান পর্যন্ত পৌঁছেছে। পাহাড়ি কন্যা পর পর তিন বার জল নিতে আসলো। তারপর আর আসলো না। আমিও যেতে পারিনি, হতে পারিনি ধীরাজ। কারণ এখানে বাংলাদেশ, ঐখানে ইন্ডিয়া। আমাদের মাঝে দেশের সীমানা। সীমানা যারা তৈরি করে তারাই মানুষ হত্যা করে, সীমানা যারা প্রতিষ্ঠা করে তারাই প্রেমিকদের শত্রু, মানবতার ঘৃণ্য পুঁজ।

চলে আসবো এমন সময় শুরু হলো বৃষ্টি। বিছনাকান্দির বৃষ্টি একরকম দাহ্য অভিজ্ঞতা! এক ফালি শুভ্র মেঘ কী করে একফোঁটা বৃষ্টির জল হয়ে যায় সরাসরি দেখতে পেলাম। পাহাড়ের দিকে তাকালে দেখা যায় মেঘের আধিপত্য। মেঘের ফাঁকে সবুজ পাহাড় কালো হয়ে উঁকি দেয়। মেঘ, পাহাড়, ঝর্ণা, বৃষ্টি, পাথর আর আমি-- এক নতুন মানুষ।
অন্ধকার নেমে আসবে। জলপুরী রেস্টুরেন্টে পাখির মাংস দিয়ে কিছু খেলাম। খেয়ে নৌকা করে হাদার পাড় বাজারের উদ্দেশে। নৌকা চলছে তো চলছে। একদিকে সাত পাহাড়, অন্যদিকে নিসর্গ, মাঝে মাঝে পাথরদ্বীপ। অন্ধকারের আধিক্যহেতু নিজের শরীর দেখা যায় না এমন সময় হাদার পাড় বাজারে এসে পৌঁছুলাম। সিএনজি করে সিলেটের উদ্দেশে রওয়ানা হলাম।
কিন্তু মন আমার পড়ে আছে বিছনাকান্দির জলে যেখানে পাহাড়ের আস্তানা,
মন পড়ে আছে বিছনাকান্দির পাহাড়ে যেখানে মেঘ এসে বিশ্রাম করে,
মন পড়ে আছে বিছনাকান্দির মেঘে যেখান থেকে ঝর্ণা রঙ তুলে আনে।

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০১৫

প্রেম

জীবনে চলতে গেলে একজন মানুষের প্রয়োজন হয়। ছেলে হলে নারীর, নারী হলে পুরুষের। এটি আমাদের জৈবিক অভ্যাস। জৈবিক অভ্যাসকে অস্বীকার করা তো দূরের কথা, প্রশ্নই করা যায় না। এটি নেশা তবে এই নেশা আমাদের মতোই জীবিত। এই নেশার অবসান মানে জীবনের অবসান।

Hmmm valo laglo....but, ki r kara jabe?

ভালোবাসা প্রত্যাশা করা কেনাবেচার মতো না। ভালোবাসতে যেমন মহান একক মন লাগে তেমনি ভালোবাসা পাওয়ার ইচ্ছাও মহান মনের পরিচয়। যে দিতে জানে সে নেয়া থেকে দেয়া শিখেছে।

Anek ki6u jani na dada, anek ki6u bujhi o na, kabe je bujhbo ke jane? Hoy to samay i ekmatro bolte parbe..

ভালোবাসার মানুষ শুধু ভালোবাসা চায়
ঘৃণাও চায় একক ঘৃণা

R hya, ami to india theke.... Hoy to valo jani na.... Pls, ek2 janaben apni ke?

শুধু একটি কথা বলবো,
ভালোবাসা একটি শিল্প, এই শিল্প দুজনে মিলেমিশে করতে হয়। দুজন চেষ্টা করলে অনেক ভালো কিছু হয়ে যায়।

পরিচয় আমার তেমন কিছু নেই, তবে অনেক বড় একজন প্রেমিক, অনেক বড় মাপের। তাই আমার একমাত্র দেবার মতো পরিচয় আমি প্রেমিক।

Tai! Khub valo laglo....
Ki6u ta bujhi..... But, valo baste giye to sudhu i dukho peye gelam.... R sahyo hoy na.

Hmmm ei katha tuku ami biswas kari..

বেঁচে থাকার প্রশ্নে একজন নারী, বলছি একজন নারী খুবই আবশ্যক। যায় কাছে মানসিকভাবে নগ্ন হওয়া যায়। যে কখনো  ফরমাল ভাষায় কথা বলে না।

Hmmm bandhutwer charom porjay r ki.

ভালোবাসা দেয়ার মাঝে সুখ আছে তবে পাওয়ার মধ্যে থাকে আনন্দ। সৃষ্টির আনন্দ। ইশ্বরের আনন্দ।

জল নদীতে থাকলে নৌকা চলবেই। জীবনে যদি একটি নারী আর পুরুষের ভালোবাসা কানায় কানায় পূর্ণ থাকে সফলতা জীবনে আসবেই। পারস্পরিক বোঝাপড়া আছে এমন প্রেমিক সম্প্রদায়কে প্রকৃতি সহায়তা করে।
প্রোমোশন তাড়াতাড়ি হয়, স্বাস্থ্য ভালো থাকে, চেহারায় মাধুর্য থাকে।
মন হয় বসন্তের বাতাসের মতো ফুরফুরে।

ভালোবাসা কঠিন এক আধ্যাত্মিক এবং বৈজ্ঞানিক ঘটনা। প্রেমিক একজন বিজ্ঞানীর চেয়ে কোনো অংশে কম না। তবে আমরা ভালোবাসতে জানি না।
ভালোবাসতে গিয়ে ভালো মানুষ হয়ে পড়ি। কিন্তু একজন প্রেমিক তার প্রেমিকার কাছে পৃথিবীর সব চেয়ে খারাপ মানুষ। আবার একজন প্রেমিকা তার প্রেমিকের কাছে পৃথিবীর সব চেয়ে খারাপ মানুষ। তবে খারাপ মানুষ দ্বয়ের পৃথিবী এক এবং একক। সেখানে দৃশ্যমান পৃথিবীর জায়গা নেই।

Eto gavi re jete chai na bandhu.....

কে বলেছে প্রেম ভাসমান?

জীবনের মতো গভীর। আবিষ্কার করতে হয়!!

আপনার স্ট্যাটাস, তারিখ আমাকে বিদ্ধ, বিদগ্ধ করেছে। কেন জানি না!

Keno, keno? Jar janyo se status take anek bojhate pari ni ajo.

I mean anek chesta kare o bojhate pari ni.

বোঝাতে চাননি

Tai mone hoy?

মনে হয়নি। বিশ্বাস করি।

আপনি যেমন করে মনের সাথে কথা বলেন তার সাথে এমন করে কথা বলেন। কসম আপনাদের পৃথিবী অনেক সুন্দর হবে। অনেক সুন্দর। একটি পৃথিবী সুন্দর করার জন্য একহাজার অজুহাত লাগে না। একটি মনমোহন মন লাগে!

আপনার চমৎকার একটি পাগল মন আছে। পাগল মন প্রেমিক কিংবা প্রেমিকা চিনতে ভুল করে না।

Ki jani, bandhu? Hobe ki na ke jane.....but dhanyabad apnake...

But , thik je kare6i... Tao bolte par6i na.

ভালো থাকবেন। মন যেন মনের দেখা পায়। ভালোবাসা ভালো লাগে চোখের সামনে কিংবা চোখের ভেতর।

Hmmm apni o valo thakben apnar moner manus er sange, i hope that.

সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০১৫

ইচিং বিচিং

ইচিং বিচিং চিচিং চা
প্রজাপতি উড়ে যা
প্রজাপতি আর হাসে না
মন থাকে না বনে
প্রজাপতির চোখে কালি
বাঘ-সিংহ মনে
বিচ্ছু থেকে প্রজাপতি
ভুলে গেছে অতীত
ঝগড়া তার প্রধান গুন
অদল বদল বাতিক
ইচিং বিচিং চিচিং চা
প্রজাপতি উড়ে যা
বাতাসে আর উড়ে না সে
অহংকারে উড়ে
ইচিং বিচিং চেলা সকল
তার ডানাতে ফুঁকে
প্রজাপতির দুইটি ডানা
চারটি হয়ে যায়
ইচিং বিচিং চেলা সকলের
বানর নাচন তাই

রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০১৫

স্বপ

মানুষ তার স্বপ্নের চেয়ে অনেক বড়। কারণ মানুষ স্বপ্ন দেখে তার আবিষ্কৃত চিন্তাশক্তি দিয়ে। অথচ মানুষের অসীম চিন্তাশক্তি অনাবিষ্কৃত থেকে যায়।
একদিন মানুষ স্বপ দেখত পাখির মতো উড়ার। আজকে মানুষ পাখির চেয়ে গতিশীল উপায়ে উড়তে পারে।

মাছের মতো সাঁতার কাটার স্বপ্নও মানুষের ছিল।  আজকে মানুষ মাছের চেয়েও দ্রুত উপায়ে  সাঁতার কাটতে পারে।

আসলে মানুষ অসীম ক্ষমতাবান, পারিপার্শ্বিকতা মানুষকে ছোট করে রাখে। 

শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০১৫

সুর কথা

জানি না কেন যে তোমা রে বেসেছি ভালো
বেসেছি ভালো
তোমাতে পেয়েছি আঁধার আর আলো,
আঁধার আর আলো।।

আমি, আমি তো ছিলাম একা
দিলে, দিলে তুমি দিলে দেখা
দিলে দেখা।।

নিশিদিন প্রতিদিন ডাকি তোমায়
অন্তরে ছবি আঁকা তুমি তো নাই।।

জানি তুমি আসবে না আর কোনোদিন
শুনবো না প্রিয় সুর স্মৃতিতে মলিন।।



সুরকথা : এমরানুর রেজা, আনজাম