সোমবার, ৩১ মার্চ, ২০১৪

তাহলে আমি?

পৃথিবীটা মানুষদের জন্যে জটিল। খারাপদের জন্যে আরো জটিল। বলদের জন্যে শান্তির জায়গা।
তাহলে আমি ....?
জেনে গেছি পৃথিবীতে ভালো থাকা সম্ভব না!
তাই ভালো আছি! ভালো থাকবো!!

World is hard complex to the eye of man; better hell to the bad. But world seems cute heaven to the asquint watch.
But I....?
sure that fresh impossible to be happy in the surface!
And that for alive, be alive forever!!

শনিবার, ২৯ মার্চ, ২০১৪

মানুষের মৃত্যু দুইভাবে হয়--দৈহিক, মানসিক। দৈহিক মৃত্যুর আগে  ইচ্ছে করলেই হাসা যায়। কিন্তু মানসিক মৃত্যুর আগে ইচ্ছে  করলেই কাঁদা যায় না। 

Dream For Morn

The day of born us is the day of dream
Dream strolls along the puzzle
Onto the thrill as for man of straw
Dream for walk miles to miles
Dream is to you where alone I am
Leave me, impossible!
Leave you, impossible!
Just for you
Just for me
Only for us
We are same and one hand of the clock
Clock is the dream, dream for morn 

শুক্রবার, ২৮ মার্চ, ২০১৪

যন্ত্র

মানুষ যন্ত্রকে বিশ্বাস করে, মানুষকে না। তাই যন্ত্র হতে ইচ্ছা করে।কিছু হয় বা না হয়, আস্থাশীল তো হয়ে উঠবো। কিন্তু যন্ত্র তো সর্বকালের দাস। আমি কী দাস হতে চাই। না! দাস হয়ে আছি, মানতে পারছি না।  আবার ভাবি, যন্ত্রও তো মানুষ। মানুষের সন্তান। আসলে আমরা জাদুর জগতে  বসবাস করি। যেখানে আমরা ছায়া। আর ছায়াকেই বিশ্বাস করি, ভালোবাসি। 

বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ, ২০১৪

বনলতা তুমি হেলেন নয়

পৌষ ১৩৪২।  'কবিতা ' পত্রিকার নতুন সংখ্যা পৃথিবীর মুখ দেখল। এই সংখ্যাতেই বনলতা সেন কায়াহীন অথচ রসসমেত হাজির হয়। যার চুল কবেকার নিটোল উপমায় ঘেরা। যার সৌন্দর্যের মাজার জিয়ারত করলে জানা যায় নারীর সুপ্ত প্রতিভার ধারা। এখানে বনলতা নারীর নয়, নারীর প্লাটফর্ম। যে নারী ত্যাগের অসীম মহিমায় নিজেকে বিলিয়ে দিচ্ছে কালের পর কাল, যুগের পর যুগ। শান্তি দিতে পারায় যেন তার জন্মমাত্র লক্ষ্য, মৃত্যুপূর্ব সাধনা। সেবার মানসিকতায় সদা প্রস্তুত। সদা প্রফুল্ল। কখনো ক্লান্তি কিংবা বিয়োজন মানসিকতা স্পর্শ করে না। বরং শান্তি নিতে যদি অনিয়মিত হয়ে যায় জীবনানন্দের পথিক ; এই নারী করুণ রাগে, উদারা সুরে প্রকাশ করে মনের গহীনে জমা হওয়া  ভক্তিগান --- 'এতদিন কোথায় ছিলেন?'
তবে জীবনানন্দের পথিক আর এডগার এলান পোর প্রেমিক এক নয়। এই পথিক হাজার বছরের পুরনো পথিক। যাঁরা নিজেকে নিয়ত আবিস্কারে ব্যস্ত, এই পথিক তাঁদের প্রতিনিধি।
মানুষের শরীরের মতো বনলতা সেন কবিতার শরীর। তিনটি অংশে বিভক্ত। প্রতিটি অংশ প্রকৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য, চলমান জীবন, জীবনের চলচ্চিত্রের মোড়কে আবৃত। আলোচিত সবকিছুই পথিককে শান্তি দিতে ব্যর্থ। কেবল বনলতা ছাড়া। তাইতো বারবার ভুল জায়গায় শান্তি খোঁজে, বারবার  সঠিক বনলতায় শান্তি পায় আমাদের পথিক। এখানে এডগার এলান পোর প্রেমিক সম্পূর্ণ ভিন্ন।যে প্রেমিক হেলেনের সৌন্দর্যে মাতাল হয়ে কবিতা লিখে (Helen, thy beauty is to me /like those nicean  barks of yore,)।ততটুকু মাতাল প্রেমিক হতে পারে না, যতটুকু মাদকতা এলান পো ধারণ করেন। কিন্তু জীবনানন্দের পথিক বনলতাকে নারী ভাবতে নারাজ। পথিক, বনলতাকে বন্ধু ভাবে। তাইতো সব সৌন্দর্য যখন তার কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় বন্ধুসৌন্দর্য তখন আপন, অন্ধকারের মতো আপন। মুখোমুখি বসিবার বনলতা সেন।

সোমবার, ২৪ মার্চ, ২০১৪

প্রেমের বিচার


কথা ও সুর : এমরানুর রেজা

রাত, রাত, একটু আসো, ও রাতের তারা
প্রেমের আজ বিচার হচ্ছে আন্তর্জাতিক ধারা।।

ভিন্ন গ্রহের শিল্প তুমি, তোমার ছবি আঁকি
শিল্প, শিল্পী কথা হবে, এইটুকু শুধু বাকি;
তোমার কথায় কী যে ভাবি, ভাবনা খোঁজে  পাইনা
অবলা শত নাবলা কথা বলেও বলা হয় না।।

রাত বিকেলে ফোনে যখন তুমি আমায় ডাকো
ঘুম পাড়ানির মাসি-পিসি ঘুমিয়ে তুমি থাকো ;
আমি তখন সিড়ি ভেঙে খোলা মাঠে দাঁড়ায়
ইচ্ছে জাগে মনের তোমাকে ছিঁড়ে কেটে দেখায়।।

কোনো রাতের শেষ প্রহরে সেলাই ছিঁড়ে দেখায়
তোমার মনের একতারা তখন দুতারাটা বাজায় ;
বেচেঁ থাকার স্বপ্নটুকু তোমার কুলে রাখি
প্রেমের বিচারের ফাসিঁ হয় না, মৃত্যুযন্ত্রণা বাকি।।

রবিবার, ২৩ মার্চ, ২০১৪

তারাচানের চোখে হাজার বছর খেলা করে

ট্রেন চলছে। নোয়াখালী এক্সপ্রেস ট্রেন। ট্রেনপূর্ণ মানুষকে কাঁঠালের কোষ, কাঁঠালের কোষ মনে হচ্ছে। ষাটোর্ধ্ব চাচা প্রতিবেশী শরীরে হেলান দিয়ে দাড়ানো। মায়ের গর্ভের মতো এখানে কৃত্রিম আলোর ব্যবস্থা নেই। আন্ধার থেকে চুয়ে পড়া আলোয় কিছু মুখ, কিছু ইশারা সনাক্ত করা যায়। আড়িখোলা স্টেশন। মিস্টার লোকাল এখানে কিছুক্ষণ রেস্ট নেয়। স্টেশনমাস্টারের রুম থেকে আসা তীর্যক আলো অল্পের জন্যে হলেও রেলকামড়াকে উৎসবমুখর করে তোলে। চাচার আঙ্গুল তখন দাড়িএলাকায় নিড়ানির কাজ করে।
কাহা কৈ যাইবা?
ফেনি
কাহা, তোমার আব্বা-আম্মার দেয়া নামডা কী?
বাতিজা, গরিব মাইনসের আবার নাম
তাহলে গরীব মানুষ আমৃত্যু কোনো দিন বুঝবে না,সে আসলে গরীব নয়?  তাকে বোঝানো হচ্ছে এমনটা। তাদের নামের গর্বও কেড়ে নিবে রক্তচোষা ফানুস!
এই ভাবনায় সরব নীরব তারাচান। নীরব চোখে তার হাজার বছর খেলা করে (টালত মোর ঘর নাহি পড়বেষী /হাড়ীত  ভাত নাঁহি  নিতি আবেশী )।বিশাল খোলা মাঠ দ্রুত পেছনে চলে যাচ্ছে। চোখে লেপ্টে যাচ্ছে বয়স্ক অন্ধকার।অন্ধকার তারাচানকে কেবল মোহিত করে না, মাতাল করে। মাতাল হওয়ার পরোক্ষে ঘটে আসল ঘটনা ---
অন্ধকারের মাঝে একটি আলোর ঘর। আলোর ঘরে দুটি প্রাণি। একজন বলছে 'আমি আইসক্রিম খাব ' অন্য জন বলছে 'মানি ব্যাগে টাকা নেই '  কিংবা একজনের ঠোঁট আরেকজনের ঠোঁটকে কামড়ে ধরে কিন্তু ক্ষুধার্ত মুখ শুষ্ক, রসহীন হাজার বছর ধরে। তারাচানের চোখে হাজার বছর খেলা করে!