শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

সৃজন

এককালে তুমি মানুষ ছিলে
আজ তুমি নারী
নারী তো সৃজনী,
সৃজন করলে "ভালোবাসি "

কৃষক

ভারতবর্ষের মাটি উর্বর। সচেতন -অচেতন উর্বশী। পাখির ঠোঁট থেকে বীজ মাটিতে পড়ে বৃক্ষ গজায়। তরতাজা তুলতুলে বৃক্ষ। এই ফার্টাইল মৃত্তিকাভূমির এককালীন প্লাটুন আমরা মানুষ। ফলে বংশগতভাবে আমাদের চিন্তাভূমি ক্রিয়াশীল উর্বর।
কিন্তু আমাদেরকে এখনো সনাতনী পদ্ধতিতে চাষ করা হচ্ছে! আর আমরা উৎপাদন করছি থ্রিজির যুগে শিবের গীতকাহিনি।
তাইতো প্রার্থনা প্রয়োজন উপযোগী কৃষকের।
যে কৃষক চিন্তাভূমিতে চাষ করবে সময়প্রাসঙ্গিক বীজ। পৃথিবী জন্ম দিবে সময়ের সন্তান। মানুষ গাইবে মানুষের গান। মানুষের মানদণ্ড হবে মানুষের প্রাণ!! 

রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

জল আর আমি

জলপরিবারে কোনো শ্রেণী বিভাজন নেই। প্রতিটি জলের সাথে প্রত্যেক জলের বাহ্যিক ও আধ্যাত্মিক সম্পর্ক বিদ্যমান। তাইতো নদী যেমন সাগরজীবনকে  পূর্ণ করে, পাশাপাশি পূর্ণ হয়।
জলের উত্তর পুরুষ 'আমি' বয়ে চলেছি জিউসনদী থেকে কৃষ্ণভূমি
তাদের স্রোতধারা ফুরায় না,
ফুরায় কেবল আমি,
আমার আশায় উপচে পড়া তোমার ঢেউ
ফুরাতে ফুরাতে ফতুর হয়ে যাবো
জানবে না কেউ, জানবে না কেউ!  

শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

লেখকের কুড়েঘরে

জীবন যদি পূর্ণ লেখকময় না হয় তাহলে আস্ত  লেখা উপহার দেয়া অসম্ভব। উপহার! হ্যাঁ।
কারণ লেখার কোনো বিনিময় মূল্য হয় না। লেখক লেখেন একধরনের সৌন্দর্যচেতনা থেকে। চেতনার মূলে থাকে একান্ত নিজস্ববোধ। জন্মপরিচয়ের বাইরেও লেখক আলাদা পরিচয় খোঁজেন, চেনা-জানা পৃথিবীর বাইরে আলাদা জগতের সন্ধ্যানে থাকেন।
এখানেই জেলে আর লেখকের পার্থক্য!
জেলে জল থেকে মাছ কেড়ে আনেন। উদ্দেশ্য বৈষয়িক। লেখক জীবনের ভেতরে মাছ খোঁজ করেন। উদ্দেশ্য সংকটাপন্ন আমির একটি স্বাতন্ত্র্য আবহ। ইনডিভিজুয়্যাল টেলেন্ট বলতে যা বুঝানো হয় তার সাথে বর্তমান থাকা।
ফলে জেলে যখন মাছ খোঁজতে গিয়ে মাছই পান ;লেখক তখন মাছ খোঁজতে গিয়ে  নিজেকে হারান। একটি বীজ যেমন  দেহকে হারানো পর একটি বৃক্ষশাখা জন্ম দেয় তেমনি লেখক নিজেকে অনেকবার হারানোর পর শংকরময় এলাকার অবসান ঘটনায়। আবিষ্কৃত হয় জাত লেখকসত্তা। যারা আক্ষেপগ্রামের স্থায়ী  বাসিন্দা। যাদের স্বপ্নযাত্রার শুরু আছে শেষ নেই।
সমকালীন সমাজের পতি হওয়া তাদের লক্ষ্য নয়। তাঁরা জানেন অসুস্থ পাত্রে সুস্থতা বেমানান। অসুস্থতা সামাজিক।
যে গাছ সতেজ ফল দেয় বুঝতে হবে সেই গাছ সুস্থ জীবনযাপন করছে। যদি তার ফল গ্রহণ করা হয় তাহলে গ্রহীতার লাভ। গাছের তাতে কোনো আসে-যায় না।
সতেজ জীবনযাপন করাইতো আসল কথা, তাই না?
তাছাড়া তারুণ্য সতেজ সংক্রামকও বটে।
আর সংক্রামিত তারণ্য মরনের মতো দীর্ঘমেয়াদী। 

বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

কেমনে তোমারে আমার কই?

ভালোবাসতে জানো!
 ভালোবাসতে এক, দুই কিংবা তিন নয়
সাত জন্ম লাগবে তোমার
ভালোবেসে ফতুর হতে জানি,
মেনে নিতে পারি বেদনা অপার
জোয়ারের প্লাবনে ভেসে উঠা লতা ভাটা চিনে না
ভাটি গাংঙ্গের ছেলে আমি শুন্য শুন্যে খেলা
শুন্যে আইনাল হক আয়নার কারিগর
ছায়ার ছলে দোকানি হওয়া যায় প্রেমিকা নয়
প্রেমিকের প্রেমখাতায় প্রেমিকা কাব্যময়
তুমি বরং ব্যবসা করো, চামড়ার ব্যবসা
হিসাব-নিকাশ ষোল আনা প্রমাণে বিশ্বাস
অর্থ, যশ, সুনাম সবই হবে
উল্টে-পাল্টে দেখবে পৃথিবীর কংকাল
আমি না হয়
কংকাল হবো, তোমার ইচ্ছাতেই জন্মাবো বারবার
ভালোবাসতে জানো!!
ভালোবাসা মানে একের ভেতরে অন্যের একাকার

মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

চলে এসো

মনের শক্তি ঘরের নাম মাইটোকন্ড্রিয়া নয়। আত্মবিশ্বাস!
আত্মহারা আত্মবিশ্বাস মূল্যহীন। একটি ইটের উপর আরেকটি ইটের শ্রদ্ধাশীল আস্থায় গড়ে উঠে মহান ইটসৌধ। নিজের প্রত্যেক কাজে আন্তরিক শ্রদ্ধার পরিপূর্ণতায় গড়ে উঠে নিজবিশ্বাস বা আত্মবিশ্বাস।
আমার আত্মবিশ্বাস আজ বড় আত্মহারা
অবাধ্য আংগুল মেনে চলে না নিয়মের সারগাম
ঘরের ভেতর ঢুকার আগেই বের হয়ে যাই
অহংকার ঘেরা 'আমি' শুন্য আজ
শুন্য মন্দির মোর
ছোটকালে আব্বার লগে হেতে যাইতাম। আল শেষ করে আব্বা হেতে মই দিত। মই দেয়ার পরও যদি বড় চাক্কা থাকতো, আব্বা আমারে কইতো
  "আই ফুত, চাক্কাগুলো হমান করি "
বাফ আমারে হুনাইতো
   "চাক্কা হমান না অইলে চারা মাথা বের করব কেমনে "
আমরা তখন সমস্ত চাক্কা হমান করে চারার সুস্থ ভাবে বেড়ে উঠার ব্যবস্থা করতাম।
জীবনের এই পর্যায়ে এসে দেখি আত্মবিশ্বাসের হেতেও বড় বড় চাক্কা আছে। যাদের জন্য আজন্ম লালিত স্বপ্নগুলো মাথাচাড়া দিয়ে  উঠতে পারে না।আগাছা চাক্কা।
আমার মাঠে জন্ম হওয়া চাক্কাকে গলা টিপে হত্যা করেছি
কারণ আমার স্বপ্নের সমান সতেজ নয় চাক্কার জীবন
চাক্কার মৃত্যুতে জন্ম হয়েছে শুন্যতার ঘর!
বাতাস হয়ে, আলো হয়ে চলে এসো তুমি
আমার স্বপ্ন
প্যান্ডোরার বাস্কে জ্বলবে তুষের অনল
অক্সিজেন হয়ে সাজাবো আলোর জীবন
চলে  এসো

সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

Feelings Factor

Avarice, lenient flow, despotic manner, repugnance, wish, want is yield from the store of the feelings. So feelings very things of the every though. It considered mother source of every watch and outlook .Feelings nothing but main anthem, factor and factory for the human being as well as aroma of the animal scroll.
So feelings is the lone and sole unit of the mind. And total mind equal to man and animal being.