সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২০

বুধবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২০

Someone is alive

 Someone is  there 

In vacant or in pensive mood 

Inward eye he or it looks me over 

He looks me over and over 

Haste away just haste away so soon 


Something or someone is there 

Beside the oration beneath the silence 

Someone or something is there 

Either dirge or psalm 

Anecdote or more than a real 

Someone is there someone is there 


You can sing a song and you can be a wild judge 


See the river and watch the water 

Opportunity is nothing luck is nothing 

Nothing is nothing just smile and watch 

Someone or something is there 


I love you I hate you I provide with you more than you want 


Mind you my dear man someone is there 


Here is you and your dream den before a shadow 


Someone is there something is there 

You can live in vernacular soul or not in 

You can know how to swime 

You can know how to drive 

Live or love 

Got ill or spend ill 

Someone is there something is there 

Something is there someone is there

ম্যাজিক গতি

 সূর্য দেখা দেয় দূরে অনেক অনেক দূরে

            জেগে উঠে আমার গ্রাম,আমার চোখের 

                                    হাত পা নাকের কাছের গ্রাম

আকাশে ভালোবাসার বিমান

 দুটি চোখ

ওয়ান প্লাস ওয়ান 

বাদলমেশানো চোখ 

ঝড়দাপানো চোখ আমার 

মানুষের সমুদ্রে ঢেউ গুনে গুনে ভোর আনে 

রকেটের গতির মতো থেমে থাকে 

জলের মাছের মতো হাসতে থাকে 

এলাকার ভূমি অফিসে যে জল্লাদ বসে থাকে 

আদালত পাড়ায় ডানাবিহীন পাখির চিৎকার

বিবেকের আইসক্রিমঠান্ডা আচরন 

দেখে 

দেখতে থাকে জলমেশানো চোখ আমার 


বিলাসের জলে 

স্বপ্নডাঙার তলে

ঘামহীন চোখ আমার ডুবে না সেবানন্দের পাড়ে 


যখন আকাশ হবে ভালোবাসার 

যখন বাতাস হবে প্রেমের 

যখন জলে কচুরিপানার পরিবর্তে ভাসবে সহানুভূতি 

সহমর্মিতা হাসপাতালে পায়চারি করবে পলকে পলকে 

তখন শরীরপাড়াত চোখ আমার যাবে তোমার বাড়ি 

দেখবে তোমারে মন ডুবিয়ে 

তোমার হাসির ভূমিতে গন্ধমাদন উৎসব হবে 

ফুলের ভাষা বুঝে নিবে আমাদের প্রজন্ম সন্ধ্যা তারা


রাত এখনো 

রাত এখনো রয়েছে বারান্দার পুরাতন চানক্য চেয়ারে 

রাতজাগা চোখ আমার সুন্দরতর দিনের দিকে 

রাতমাখা চোখ আমার সুন্দরতম দিনের পথে 

দৃষ্টিনেশাভরা সন্ধ্যার ফুলফল পাহাড়ে 

জোছনামাখা চিত্রলিপি রাতের সাজঘরে 

প্রভাতের নুরানি হাওয়ার গতিবেগ ধরে 

এখনো মিছিলে মিছিলে জেগে থাকা চোখ আমার 

স্বপ্ন দেখে 

স্বপ্ন গায় সবুজের হিমোগ্লোবিনে

ভোর রাতে লিচু গাছের কলকাকলিতে আমি

 বিদেশ থেকে গাছ এনে দেশের মাটিতে রোপন করলেই সেই গাছ দেশী হয়ে যায় না



দুর্দিন মানুষের আসে না-- সুদিন শেষ হয় না, সুদিন মানুষের আসে না-- দুর্দিন শেষ হয় না



যারা সম্পদ জমানোর চেষ্টা করেছে ইতিহাস তাদের মনে রাখে নাই, যারা নিজেকে অর্থময় করে তুলার চেষ্টায় ছিলো আজ তারা ইতিহাসের সম্পদ



কাশফুল অন্ধকারেও সাদা,গভীর অন্ধকারে প্রিয়তমা হয়ে উঠে আদিম গন্ধমফুল



তার মোড শেন ওয়ার্ন  কিংবা মুরালিধরনের বলের চেয়ে অধিক সোয়িং করে, বল দেখে ব্যাট করো হে হিটার,আউট হলে ক্যারিয়ার চলে যাবে দর্শক গ্যালারিতে



হারানো রোদের গল্প শুনতে শুনতে যাদের দিন যায় তাদের ডান চোখের নিচের সবুজ গাছটির ছায়ায় বসে থাকি আমি



রাজপ্রাসাদের পাখি কখনো রাজা হয় না-- রাজপ্রাসাদের অলংকার হয় মাত্র




তরকারিতে লবন দিতে আপনাকে কে বলেছে!? এখন বলছেন লবন বেশি হয়ে গেছে। লবন দিবেন আপনি কষ্টও পাবেন আপনি। আপনি বরং কষ্টগুলোকে তরকারিতে ব্যবহার করতে শিখুন, আমরাও শিখছি অধিক লবনের জীবন যেনো আকাঙ্ক্ষার সবুজ জানালায় উকি না মারে।




সমাজে অপরাধী থাকে না, অপরাধীরা সমাজ বানায়,দেশে ক্রিমিনাল থাকে না, ক্রিমিনালরা দেশ বানায়।আমি অপরাধী প্রভু,তোমার বিপুলা পৃথিবীকে খন্ড বিখন্ড বিভক্ত করতে করতে দেশ কাল সমাজ নামক দেয়াল আর দেয়ালের সংবিধান রচনা করেছি।




চোখের জলে পাতার শব্দ বাড়ি ফেরার তাড়া




কথা নিভে এলে তোমাকে রোদে শুকাতে দিও







বৃহস্পতিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২০

শুদ্ধ তারপর

 তাকে বললাম এক বোতল বিশুদ্ধ চোখের জল দাও, এখন তার কান্নাই বন্ধ হয়ে গেছে। রাতে ভালো একটি সিনেমা দেখতে দেখতে চোখে জল আসতেছে, বোতল এনে সংগ্রহ করতে গেলাম জল আর চোখে আসে না। 


আমাদের সভ্যতা বিশুদ্ধ কিছু ধরে রাখতে পারে না

মাও সেতুং

 বেইজিং গনপ্রজাতন্ত্রী চীন সরকারের অধীনে সরাসরি কেন্দ্রশাসিত পৌরসভা হিসেবে পরিচালিত। বেইজিং কথাটির অর্থ "উত্তরের রাজধানী"।


মহানগর এলাকার ভেতর দিয়ে হাই নদী ব্যবস্থার অনেকগুলো উপনদী প্রবাহিত হয়েছে, যাদের মধ্যে ছাওপাই নদী ও ইউংতিং নদীর কথা উল্লেখযোগ্যভাবে বলা যায়। বেইজিং সুসংহতভাবে গঠিত নয়; এখানে গ্রামীন বসতি ও স্থাপনার আধিপত্যই বেশি। প্রাদেশিক মর্যাদাবিশিষ্ট বেইজিং ষোলটি পৌরজেলা, উপ-পৌরজেলা এবং গ্রামীন জেলা নিয়ে গঠিত।


১৯৫০ সাল।১৯৫০ সালের বেইজিংয়ের কথা। ১৯৫০ সালের বেইজিংয়ের একটি গ্রামের কথা।১৯৫০ সালে বেইজিংয়ের একটি গ্রামের একটি ধর্ষিত মেয়ের কথা।চেয়ারম্যান তখন মাও সেতুং। বলা হয়ে থাকে মাও সেতুং কোনোদিন দাত মাজতেন না। কারন হিসাবে তিনি বলতেন বাঘের কথা। বাঘ নাকি দাত মাজে না।


চেয়ারম্যান তখন মাও সেতুং। একটি মেয়ে উদাম মাঠে গণধর্ষণের কবলে পড়ে! মেয়েটি আস্ত শরীর নিয়ে বাড়ি ফিরে কান্না অভিমান অভিযোগ বীতাগ্নি রাগে। চীন দেশে তখন বিশ্বালোচিত মার্ক্সবাদকে হাতিয়ার করে লালফৌজ গঠন করে অক্লান্ত পরিশ্রম অবিরত চেষ্টা কঠিন অধ্যবসায়ের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ৩৫ হাজার কিলোমিটার লংমার্চ করে মাও সেতুং চীনের মাটিতে জনমানুষের গণমানুষের আশা আকাঙ্ক্ষার আয়নামতি আয়তিসুখদৃশ্য চলমান প্রশান্তিচোখ প্রতিষ্ঠা করেন। বিপ্লব সমাজতন্ত্র রক্ষা করার দায়িত্বে ঘরে বসে স্টাডি করছিলেন কেমন করে সাংস্কৃতিক বিপ্লব সংঘটিত ও সফল করা যায়। সেই সময় মেয়েটির ধর্ষিত হবার খবর তার কানে এসে পৌঁছে। খুবই অল্প সময়ের মধ্যে। 


বেইজিংয়ের জলবায়ুতে ঋতুভেদ আছে-- জলবায়ু মৌসুমী বায়ু দ্বারা প্রভাবিত আর্দ্র মহাদেশীয় ধরনের। উত্তপ্ত ও আর্দ্র গ্রীষ্মকালের জুলাই মাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮° সেলসিয়াসের চেয়ে বেশি এবং হিমশীতল ও শুষ্ক শীতকালের জানুয়ারি মাসে তাপমাত্রা ১৫° সেলসিয়াসের চেয়েও কম হতে পারে। জুন থেকে আগস্ট মাসের মধ্যে সিংহভাগ বৃষ্টিপাত হয়। 


মাও সেতুং খবরটি শুনামাত্র জুলাই মাসের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার চেয়েও উত্তপ্ত হয়ে উঠেন।তার মনে তখন জুন ও আগষ্ট মাসের বৃষ্টিধারার মতো জলাপাত হচ্ছিল। তিনি মেয়েটির কাছে গেলেন। মাথায় হাত রাখেন। তার চোখে  ছায়াবর্ষনের চেষ্টা করেন। 


তোমাকে যখন তারা ধর্ষন করছিল তুমি কী তখন চিৎকার করছিলে? 

হ্যা,আমি চিৎকার করছিলাম। 

তেমন করে আবার চিৎকার করতে পারবে? 

সুবিচার পেলে তেমন করে ঠিক তেমন করে চিৎকার করতে পারবো। আপনার প্রতি আমার আস্থা রয়েছে। 


মাও সেতুং তখন এক হাজার সিপাহি প্রস্তুত করেন।মেয়েটিকে স্পটে নিয়ে যায়।মেয়েটিকে চিৎকার করতে বলে। মেয়েটির চিৎকার যতদূর শোনা যায় ততদূরের সমস্ত মানুষকে বন্দী করে আনা হয়। মেয়েটি চারটি পুরুষকে সনাক্ত করে। সাথে সাথে তাদেরকে গুলি করে পরকালের অপ্সরাদের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়। 


ধর্ষন তখনো ছিলো এখনো আছে!  তখন মাও সেতুং ছিলো এখন মাও সেতুং নাই!! মাও সেতুং নাই বিধায় নদীর ঘরে জলের মতো বসে থাকি-- মাছ হয়ে কোনো এক সাগরের কথা ভাবি