বুধবার, ৯ মে, ২০১৮

মানুষ তবে ভালো চিনুক

ভালো মানুষদের জানতে হয় তার পাশে ভালো মানুষ কারা, খারাপ মানুষদের জানতে হয় না তার পাশে খারাপ মানুষ কারা।

ভালো মানুষ  তার পাশের ভালো মানুষদের না চিনলেও খারাপ মানুষ ঠিকই তাকে চিনে রাখে এবং চিনে রাখার মাশুল ভালো মানুষটি ভালো করেই পায়।

একা ভালো মানুষ কখনো ভালো মানুষ নয়, একা পশু সব সময় একাই পশু।

মঙ্গলবার, ৮ মে, ২০১৮

দেহের মাহফিলে

মরে ত যাবই সই
কেন তবে মরনের কথা কই
চলো একটা রাত আঁকি
চোখে মুখে ঠোঁট রাখি
ফুল ধরি জাল ফেলে
গান হই গলা তুলে
প্রেমের জিকির তুলি দেহের মাহফিলে

মহানগর প্রভাতী

মাইশা। ওর নাম মাইশা। বাবা পুলিশ। মা গৃহিনী। মাইশার সাথে আমার দেখা ট্রেনে। আমাদের পেছনের সিটে তাদের সিট। আমরা একটি ঝড়কে ধরবো বলে চিটাগাং যাচ্ছিলাম। কিন্তু ঝড়কে ধরতে পারিনি, পেরেছি এই ঝড়কন্যাকে হালকা উপলব্ধি করতে।

এই ঝড়কন্যা ক্লাস টুতে পড়ে। প্রথম দেখাতে মনে হয়েছিল মাইশা জমানো চুপচাপ এক বরফের নাম। ক্লাস টুতে তার রোলনং দুই। সে চায় ক্লাস থ্রিতে তার রোলনং হোক তিন। ক্লাস ওয়ানে তার রোলনং ছিল এক। যখন তার বরফ গলে গেলো তখন সে নদী হতে পারতো, হয়েছে সাগর, তাও আবার আটলান্টিক মহাসাগরের উত্তাল ঝড়।

এই ঝড়কন্যা আমাকে সিটে বসে থাকতে দেয়নি। তার মতে আমি আল্লার চেয়েও কালা।

আমি বললাম "আল্লা কালা এই কথা তোমাকে কে বলছে?" সে বলে সে নাকি প্রতি রাতে আল্লাকে দেখে।

আমি বললাম আমি যেহেতু কালা সেহেতু আমার থেকে দূরে থাকো, তুমি তোমার সিটে বসে থাকো।
সে বলে তর কাছে থেকে তোকে মারব এটাই আমার আনন্দ।

তার আনন্দ সহ্য না করতে পেরে আমাকে অবশেষে আমার সিট থেকে ওঠে যেতে হয়েছে। যেহেতু ফাস্ট ক্লাস কামরা সেহেতু এখানে সভ্যদের ভীড়। এই ঝড়কন্যাকে ইগনোর করবে এমন মহান শক্তি কারোই ছিল না। সবার দৃষ্টি এই ঝড়কন্যার দিকে, সবার মুখে মৃদু হাসি।

ঝড়কন্যা আমার সিট দখল করে। এখন তার দুইটা সিট। প্রায় শেষের দিকে আমি আমার সিটে আবার বসতে পারি কিন্তু এর জন্য আমাকে ঝড়কন্যার অনেক আনন্দ সহ্য করতে হয়েছে।

ঝড়কন্যা ট্রেন থেকে নেমে যাওয়ার সময় আমাকে একটা নাম দিয়েছে। নামটা হলো কালোমাছি। ট্রেন থেকে নামার সময় তার কনিষ্ঠতম আঙ্গুলটি আমার চোখের সামনে এনে আমার কনিষ্ঠ আঙ্গুলের সাথে মৃদু স্পর্শ করে আস্তে করে বলে "আড়ি"।

আজকে মনে হচ্ছে সত্যিই ত "আড়ি"। তার সাথে ত আমার আর দেখা হবে না, দেখা হলেও সে তখন অনেক রঙ চিনে ফেলবে, অনেক রঙ্গের বাহারে এই কালোমাছির দৃশ্যত রঙ তার চোখে পড়বে না!

সোমবার, ৭ মে, ২০১৮

বাং লা দে শ

বাংলাদেশে বড় হওয়া মানে পাওয়ারের অধিকারী হওয়া। যার কাছে পাওয়ার আছে সেই সবচেয়ে বড় মানুষ। একসময় লাঠির পাওয়ার খুব গুরুত্বপূর্ন ছিল। এখন টাকার আর প্রশাসনিক পাওয়ার খুবই গুরুত্বের দাবিদার।

কোনো মানুষ যখন এই তথাকথিত গুরুত্বপূর্ন পাওয়ারের দিকে যেতে থাকে তখন অন্যরা মানুষটির লেজে ছাই দিয়ে ধরে পেছনের দিকে টানতে থাকে। সকল টান উপেক্ষা করে মানুষটি যখন পাওয়ারের অধিকারী হয় তখন অন্যরা মানুষটির লেজে তেল ঘি মাখতে শুরু করে।

বাংলাদেশের মানুষ আসলে পায়ের নিচে রাখা আর মাথার উপরে রাখার কাজটা ভালো পারে, বুকে টেনে রাখবার কাজটি এখনো শিখে উঠেনি।

রবিবার, ৬ মে, ২০১৮

শুক্রবার, ৪ মে, ২০১৮

ইনবক্স

ফেইসবুকের ইনবক্সে সে নাগরকে খুঁজে পেলো যে অনেক প্রেম পাকায়। কয়েকদিন পর এই নাগরই হয়ে গেলো নাগরাজ যে অনেক বিষ পাঠায়।

মঙ্গলবার, ১ মে, ২০১৮

বিড়াল ভোগে থাকলে ইঁদুর শান্তিতে থাকবে না স্বাভাবিক

বিড়ালের গলায় ঘন্টা বাঁধার প্রয়োজন নেই। ঘন্টা বাঁধার কাজটিও বিড়ালের  সাথে একধরনের আপোষ করা। সাক্ষাৎ শত্রুর সাথে কোনো প্রকার আপোষ থাকতে পারে বলে আমি মনে করি না।

বিড়ালের গলায় ঘন্টা না বেঁধে বিড়ালের  গলা কেটে ফেলা আবশ্যিক কাজ।

বিড়াল বহুবছর যাবৎ অলস হয়েও রাষ্ট্রের সমস্ত সুযোগ সুবিধা ভোগ করছে, কৃষকের গাভীর তাজা দুধ খাচ্ছে চুরি করে।

বিড়ালের অত্যাচার আর সহ্য করা যাবে না। বিড়ালকে পৃথিবীছাড়া করেই পৃথিবীর সত্যিইকারের স্বাধীনতা অর্জন করতে হবে।

সত্যিকারের স্বাধীনতা কখনো অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা কঠিন নয়। কারন স্বাধীনতাকে রক্ষা করতে হয় না, স্বাধীনতা নিজেই তার অনুসারীদের রক্ষা করে।