তারা উৎসব করতে শিখে গ্যাছে, উৎসের সুর ভুলে গ্যাছে
শুক্রবার, ৩ মার্চ, ২০১৭
টিপ না দিলেই ভালো লাগে
দাবা খেলতে জানে না
মানুষ দাবা খেলতে জানে না
চুমু খাবার আগেই তারা শুরু করে জলকেলি খেলা
দাবা খেলার আগেই মানুষ দেখায় আফিম কৌতুক
কৌশল
যোগ্যতা
পৌষের মেলা
গতির মতন স্থির হয়ে আসে সৈয়দ শামসুল হক কিংবা তাহাদের পিতা
একদিন পরে আগের দিন দেখা যায়
আগের দিনে বসে দেখি পাবলিক বাস
ভ্রমনে রমনে হনুমানে সাপ মুন্সি গ্রাম-- মৃত্যুর পর মৃত্যু মৃত্যুর পর মৃত্যু খানিকটা জীবন
আর কত বেঁচে থাকা যায়-- এ যে নামাতা নামাতা আয়তন
আয়তনে নামে সুখ
আয়তনে নামে দুহ
আয়তনে রাজ্য
আয়তনে পরাজয়
আয়তনে যতসব রাজার আসন
আয়তনে কেনাবেচা
আয়তনের ভেতর আয়তন মুখোমুখি বসিবার কতিপয় বচন
একটা গতি বারবার বারবার মাথার ভেতর ডেকে ডেকে হয়রান
কোথাও যেতে বলে
কোথাও স্থির হতে দেয় না-- চলো চলো চলো
চলতে চলতে থামা ভুলে গেছি-- কষ্ট হয় যে মনের ভেতর
আর কত কষ্ট নিয়ে জীবনের সাথে বাজি খেলবা মন
আর কত কষ্টের বারান্দায় ফেলবে যবনিকা চিহ্ন
দাবা খেলবার বহুজাতিক নিয়মে তারাও আজকের ব্রাহ্মন
মানুষ দাবা খেলতে জানে না
চুমু খাবার আগেই তারা শুরু করে জলকেলি খেলা
দাবা খেলার আগেই মানুষ দেখায় আফিম কৌতুক
কৌশল
যোগ্যতা
পৌষের মেলা
গতির মতন স্থির হয়ে আসে সৈয়দ শামসুল হক কিংবা তাহাদের পিতা
একদিন পরে আগের দিন দেখা যায়
আগের দিনে বসে দেখি পাবলিক বাস
ভ্রমনে রমনে হনুমানে সাপ মুন্সি গ্রাম-- মৃত্যুর পর মৃত্যু মৃত্যুর পর মৃত্যু খানিকটা জীবন
আর কত বেঁচে থাকা যায়-- এ যে নামাতা নামাতা আয়তন
আয়তনে নামে সুখ
আয়তনে নামে দুহ
আয়তনে রাজ্য
আয়তনে পরাজয়
আয়তনে যতসব রাজার আসন
আয়তনে কেনাবেচা
আয়তনের ভেতর আয়তন মুখোমুখি বসিবার কতিপয় বচন
একটা গতি বারবার বারবার মাথার ভেতর ডেকে ডেকে হয়রান
কোথাও যেতে বলে
কোথাও স্থির হতে দেয় না-- চলো চলো চলো
চলতে চলতে থামা ভুলে গেছি-- কষ্ট হয় যে মনের ভেতর
আর কত কষ্ট নিয়ে জীবনের সাথে বাজি খেলবা মন
আর কত কষ্টের বারান্দায় ফেলবে যবনিকা চিহ্ন
দাবা খেলবার বহুজাতিক নিয়মে তারাও আজকের ব্রাহ্মন
সীমানা
আমাদের সীমানায় বহু বছর হলো কোনো মধ্যরাত আসে না, আসে না মধ্যরাতের কতিপয় ডাক
বৃহস্পতিবার, ২ মার্চ, ২০১৭
সবপ্রশ্ন
ছোটকাল থেকে শুনে আসছি ধ্বনির সাংকেতিক চিহ্ন বর্ন। কথাটি আংশিক সত্য, অধিকাংশ সত্য নয়। কারন ধ্বনি একটি বিশাল এলাকা। আর বর্ন ছোট এলাকা, খুবই ছোট এলাকা।
উপলব্ধি যখন সাগর ধ্বনি তার জল। ধ্বনির বৈচিত্র্য ভাষার মাধুর্য নির্দেশ করে। আবিষ্কৃত বর্ন প্রায় সময় ধ্বনির বৈচিত্র্যময় এলাকায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। কারন বর্ন মৌলভি যারা আছেন তারা বর্নের প্রথাগত উচ্চারন জায়গায় একেবারে পাগড়ি পরে সুন্নতি লাঠি নিয়ে বসে তাহেন। ফলে মুরিদরা মনে করে বর্নের উচ্চারন শুদ্ধতা মানে ভাষার একেবারে গঙ্গাজল শুদ্ধতার জায়গা।
যেমন, ফন একটি শব্দ। ফন মানে সুন্দর, সতেজ, পরিষ্কার, ফ্রেশ। ফন শব্দটি উচ্চারন করার জন্য প এবং ফ এর মাঝে আরেকটি বর্ন আবিষ্কার করার প্রয়োজন। কিন্তু বাংলা ভাষায় সেই বর্নটি নেই।
পৃথিবীর অনেক ভাষা পৃথিবীর অনেক শব্দ নিতে পারে না। এখানে ভাষার সীমাবদ্ধতা, বর্নের সীমাবদ্ধতা। কিন্তু কন্ঠস্বর ঠিকই চর্চিত আচরনের মধ্যে দিয়ে পৃথিবীর যেকোন শব্দ তার করে নিতে পারে। এখানেই মানুষ আর তার আবিষ্কারের মধ্যে পার্থক্য।
উপলব্ধি যখন সাগর ধ্বনি তার জল। ধ্বনির বৈচিত্র্য ভাষার মাধুর্য নির্দেশ করে। আবিষ্কৃত বর্ন প্রায় সময় ধ্বনির বৈচিত্র্যময় এলাকায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। কারন বর্ন মৌলভি যারা আছেন তারা বর্নের প্রথাগত উচ্চারন জায়গায় একেবারে পাগড়ি পরে সুন্নতি লাঠি নিয়ে বসে তাহেন। ফলে মুরিদরা মনে করে বর্নের উচ্চারন শুদ্ধতা মানে ভাষার একেবারে গঙ্গাজল শুদ্ধতার জায়গা।
যেমন, ফন একটি শব্দ। ফন মানে সুন্দর, সতেজ, পরিষ্কার, ফ্রেশ। ফন শব্দটি উচ্চারন করার জন্য প এবং ফ এর মাঝে আরেকটি বর্ন আবিষ্কার করার প্রয়োজন। কিন্তু বাংলা ভাষায় সেই বর্নটি নেই।
পৃথিবীর অনেক ভাষা পৃথিবীর অনেক শব্দ নিতে পারে না। এখানে ভাষার সীমাবদ্ধতা, বর্নের সীমাবদ্ধতা। কিন্তু কন্ঠস্বর ঠিকই চর্চিত আচরনের মধ্যে দিয়ে পৃথিবীর যেকোন শব্দ তার করে নিতে পারে। এখানেই মানুষ আর তার আবিষ্কারের মধ্যে পার্থক্য।
রেলপথ
রেললাইন দুটি মিলিত হয় না বলে অনেক প্রেমিক উপমা করে। একজন আরেকজনকে বলে দেখো রেললাইন কত কাছাকাছি অথচ কোনদিন তারা এক ঘরে এক বালিশে ঘুমাতে পারে না। এটাই প্রেম বুঝলা। মিলিত হওয়ার নাম প্রেম না। যদি রেললাইন দুটি মিলিত হয় তখন তাদের মিলনের নাম দুর্ঘটনা। তারপর তারা গান ধরে-- তোমার আমার দেখা হবে ঐ পাড়ে বন্ধু ঐ পাড়ে। মানে দুর্ঘটনার পর।
আরে ভাই প্রেমিক,
রেললাইন দুটি সমধাতু, সমকর্মী।
রেললাইন রেললাইন মিলিত হবে কেন? তারা তো সমকামী না।
রেললাইন মিলিত হবে চাকার সাথে। এবং চাকার আর রেললাইনের মিলন হয়েও থাকে
আরে ভাই প্রেমিক,
রেললাইন দুটি সমধাতু, সমকর্মী।
রেললাইন রেললাইন মিলিত হবে কেন? তারা তো সমকামী না।
রেললাইন মিলিত হবে চাকার সাথে। এবং চাকার আর রেললাইনের মিলন হয়েও থাকে
বুধবার, ১ মার্চ, ২০১৭
এ.
মেঘমালা গো আমার-- কুতুব মিনার
গাছের ভেতর আয়োজন করে পাখির কথা
নিজামউদ্দিন আউলিয়া চলে যায় রাস্তায় বারবার
সূর্যের সামনে তুমি দাঁড়ালেই সঙ্গীত বেজে ওঠে-- কোনো কান কথা নয়
তুম আয়েগা তুম আয়েগা জরুর
আমার ইনতেজার আর কতখানি কাজে লাগে মরুময় হৃদয় তোমার
লালবাতি দেখালে হরতাল করলে
অভাগা গরীব ঘরে ভাত নেই রান্না হবে না বহুদিন-- অভিমান করলে তুমি মানহীন জীবন আমার-- রাস্তা ফাঁকা দেখিয়ে ফেনের মতো আলাদা হয়ে গেলে-- ভাত আমি পিষ্ট জীবন দাঁতের নিচে, মরনে মরনে আমি তুমিময় কাছে-- মিন্ট রোড দিল্লিতেও আছে তবুও তা ঢাকা থেকে দূরে বহু দূরে
গাছের ভেতর আয়োজন করে পাখির কথা
নিজামউদ্দিন আউলিয়া চলে যায় রাস্তায় বারবার
সূর্যের সামনে তুমি দাঁড়ালেই সঙ্গীত বেজে ওঠে-- কোনো কান কথা নয়
তুম আয়েগা তুম আয়েগা জরুর
আমার ইনতেজার আর কতখানি কাজে লাগে মরুময় হৃদয় তোমার
লালবাতি দেখালে হরতাল করলে
অভাগা গরীব ঘরে ভাত নেই রান্না হবে না বহুদিন-- অভিমান করলে তুমি মানহীন জীবন আমার-- রাস্তা ফাঁকা দেখিয়ে ফেনের মতো আলাদা হয়ে গেলে-- ভাত আমি পিষ্ট জীবন দাঁতের নিচে, মরনে মরনে আমি তুমিময় কাছে-- মিন্ট রোড দিল্লিতেও আছে তবুও তা ঢাকা থেকে দূরে বহু দূরে
আজাইরা দ্বন্দ্ব
মাঠের পর মাঠ মাঠের পর মাঠ এবং মাঠের পর মাঠ। ট্রেন চলছে তো চলছে। আসামির মতো বসে আছে, শুয়ে আছে নিজ সিটে তারা। জানালার চোখ দিয়ে সবুজ মাঠে শাদা বকের মতো মন্দির দেখা যায়। শরৎ বাবুর কোনো উপন্যাসের কোনো একটি চরিত্র খুব মনে পড়ছে।
আকাশ হতে থেকে থেকে নেমে আসছে জাপানি রোদ। তাহলে বুঝতে পারলুম পৃথিবীর সব জায়গায় কমবেশি রোদ থাকে। এতো রোদের মাঝেও কারা যেন অন্ধকারের চাষ করে। রবিবাবুর অমলের মতো বসে আছি জানালার পাশে। অনেক পথের সাথে দেখা হচ্ছে। অনেক পথ। কোনো পথ সোজা, কোনো পথ অদ্বয়, কোনো পথ পাড়াত আবার কোনো পথে নেমে আসে ধান সবুজ। কোনো পথই মানুষের মনের মতো এতো লোভাতুর নয়। প্রত্যেক পথ একটি ভ্রমনের কথা বলে। আর মানুষ চিনে সীমানা।
চোখের সীমানা দিয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে চলছে ভারতীয় স্তন-- মোটরবাইকে বসা তিন যুবক চলছে কোনো এক সীমানার দিগন্তে। মানুষ সহজে সীমানা পেয়ে যায় যন্ত্রের মতো। অথচ মানুষ কোনো সীমান্তের বাজার নহে। সীমান্ত বাজারে দ্রব্যমূল্যের ডাকাতি, দ্রব্যমূল্যের চিৎকার। বিনিময় মূল্যজ্ঞান থেমে গেলে মানুষ হবে এক কল্যানের নাম, এক সুন্দরের নাম।
কানপুর স্টেশন অনেক আগেই অতিক্রম করেছি আমরা। স্লিপার ক্লাসে আজ শুধু ঘুম। অনেক ঘুমের পর মানুষ কথা বলতে শিখে। কিন্তু এখানে কেউ কথা বলে না। কথা বলতে গেলে প্রয়োজন ধারনা থাকা চায়। এখানে প্রয়োজন বাজার করতে আসে না। তাই সবাই যার যার নীরবতায় ব্যস্ত। এমন নীরবতা অনেকের কাছে গনকবর নয়-- সভ্যতা।
আহারে পৃথিবীর সভ্যতা! কবিরাজ মশাই সত্যের পথে যাত্রা করেছিলেন। হঠাৎ তার তেল শেষ হয়ে যায় , তখন তিনি তেল কেনার জন্য সভ্যতা নামে এক হিজিমনির আয়োজন করে। কবিরাজি কথার ফাঁকে পরে আমরা ভুলে গেছি ঘুমানোর আগে অনেক কাজ আমাদের করে যেতে হবে থরেবিথরে।
একটু পরে রাত হয়ে যাবে। ট্রেন তখনো চলবে। সিমলা যাবো বলেই তো ট্রেন নামক নিয়মে গতর রাখলাম। জীবন তো আর সিনেমার সরাসরি দৃশ্য নহে কিংবা আগরতলা টিভি স্টেশনের কোনো নদীর ফেনায়িত দৃশ্য। তাই গতকাল বলে এক কুড়ি সময় আমদানি করেছি। মানুষ আমদানিতে যতখানি বাঁচে তার চেয়ে বেশি বাঁচে সৃষ্টিতে-- বাঙালি বাঁচে আজাইরা দ্বন্দ্বে।
আমার উপরে সিটে তারিক আজিজ, সে সালাত কায়েম করে আবার পাদও দেয়। তার পবিত্র কিংবা অপবিত্র আয়াতের সাক্ষী আমি। সাক্ষী নিরপেক্ষ হলে চলার পথে থাকে একরঙা শৈশব। শৈশবের সুন্দর আচরন কেউ না নিতে পারে। সবাই কেমন যেন বৃদ্ধ হতে চায়-- চুপচাপ টুপটাপ।
ফিরোজাবাদ ভারতীয় চুড়ির বেহতার আস্তানা। চুড়ির কাজ শুধু আওয়াজ তুলা নয় মাংসের হাতিরে, চুড়ি সৌন্দর্যও বৃদ্ধি করে থাকে-- অনেক রোগ নিয়ে আজ তারা পথিক
আকাশ হতে থেকে থেকে নেমে আসছে জাপানি রোদ। তাহলে বুঝতে পারলুম পৃথিবীর সব জায়গায় কমবেশি রোদ থাকে। এতো রোদের মাঝেও কারা যেন অন্ধকারের চাষ করে। রবিবাবুর অমলের মতো বসে আছি জানালার পাশে। অনেক পথের সাথে দেখা হচ্ছে। অনেক পথ। কোনো পথ সোজা, কোনো পথ অদ্বয়, কোনো পথ পাড়াত আবার কোনো পথে নেমে আসে ধান সবুজ। কোনো পথই মানুষের মনের মতো এতো লোভাতুর নয়। প্রত্যেক পথ একটি ভ্রমনের কথা বলে। আর মানুষ চিনে সীমানা।
চোখের সীমানা দিয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে চলছে ভারতীয় স্তন-- মোটরবাইকে বসা তিন যুবক চলছে কোনো এক সীমানার দিগন্তে। মানুষ সহজে সীমানা পেয়ে যায় যন্ত্রের মতো। অথচ মানুষ কোনো সীমান্তের বাজার নহে। সীমান্ত বাজারে দ্রব্যমূল্যের ডাকাতি, দ্রব্যমূল্যের চিৎকার। বিনিময় মূল্যজ্ঞান থেমে গেলে মানুষ হবে এক কল্যানের নাম, এক সুন্দরের নাম।
কানপুর স্টেশন অনেক আগেই অতিক্রম করেছি আমরা। স্লিপার ক্লাসে আজ শুধু ঘুম। অনেক ঘুমের পর মানুষ কথা বলতে শিখে। কিন্তু এখানে কেউ কথা বলে না। কথা বলতে গেলে প্রয়োজন ধারনা থাকা চায়। এখানে প্রয়োজন বাজার করতে আসে না। তাই সবাই যার যার নীরবতায় ব্যস্ত। এমন নীরবতা অনেকের কাছে গনকবর নয়-- সভ্যতা।
আহারে পৃথিবীর সভ্যতা! কবিরাজ মশাই সত্যের পথে যাত্রা করেছিলেন। হঠাৎ তার তেল শেষ হয়ে যায় , তখন তিনি তেল কেনার জন্য সভ্যতা নামে এক হিজিমনির আয়োজন করে। কবিরাজি কথার ফাঁকে পরে আমরা ভুলে গেছি ঘুমানোর আগে অনেক কাজ আমাদের করে যেতে হবে থরেবিথরে।
একটু পরে রাত হয়ে যাবে। ট্রেন তখনো চলবে। সিমলা যাবো বলেই তো ট্রেন নামক নিয়মে গতর রাখলাম। জীবন তো আর সিনেমার সরাসরি দৃশ্য নহে কিংবা আগরতলা টিভি স্টেশনের কোনো নদীর ফেনায়িত দৃশ্য। তাই গতকাল বলে এক কুড়ি সময় আমদানি করেছি। মানুষ আমদানিতে যতখানি বাঁচে তার চেয়ে বেশি বাঁচে সৃষ্টিতে-- বাঙালি বাঁচে আজাইরা দ্বন্দ্বে।
আমার উপরে সিটে তারিক আজিজ, সে সালাত কায়েম করে আবার পাদও দেয়। তার পবিত্র কিংবা অপবিত্র আয়াতের সাক্ষী আমি। সাক্ষী নিরপেক্ষ হলে চলার পথে থাকে একরঙা শৈশব। শৈশবের সুন্দর আচরন কেউ না নিতে পারে। সবাই কেমন যেন বৃদ্ধ হতে চায়-- চুপচাপ টুপটাপ।
ফিরোজাবাদ ভারতীয় চুড়ির বেহতার আস্তানা। চুড়ির কাজ শুধু আওয়াজ তুলা নয় মাংসের হাতিরে, চুড়ি সৌন্দর্যও বৃদ্ধি করে থাকে-- অনেক রোগ নিয়ে আজ তারা পথিক
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)