প্রাপ্তি ও মুক্তি মানুষকে আনন্দ দেয়। আনন্দ হলো বিজ্ঞাপনের ঘড়ি যার মিনিটের কাঠি দশটা দশ মিনিটে স্থির।
বুধবার, ৬ জানুয়ারি, ২০১৬
মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারি, ২০১৬
মাধ্যমিক স্কুল
জানুয়ারি মাসে চমৎকার সূর্য নেমে আসে গ্রামে। জানুয়ারি মাসে চমৎকার কুয়াশা নেমে আসে গ্রামে। ধানের গন্ধে মন উচাটন। একটু একটু ধান কাটা শুরু হয়।
বার্ষিক পরীক্ষা শেষ করে খেলাধূলা নিয়ে ভয়ানক ব্যস্ত গ্রামের যুবক। দুটি পাড়ার দল। ক্রিকেট খেলা। এই খেলাটি শীতকালে দশ-বারো বছর যাবৎ গ্রামের যুবকের প্রিয় অভ্যাসগত খেলা।
জানুয়ারির শেষ দিকে নতুন বইয়ের গন্ধ। নতুন চাল। নতুন ক্লাস। নতুন স্কুল। নতুন টিচার। নতুন কিছু প্রিয় মুখ।
আমিও নতুন ক্লাসে। নতুন স্কুলে। অচেনা মুখের ভীড়ে। ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হলাম। আড়াইসিধা কে বি উচ্চ বিদ্যালয় আমার মাধ্যমিক স্কুল।
আজকে ক্লাস হওয়ার কথা। প্রথম ক্লাস। কিন্তু ক্লাস হয়নি। ফাস্ট বেঞ্চে বসে আছি আমি আর আমার মামাতো ভাই মোনায়েম। মোনায়েম খাঁ। হঠাৎ এক হৃষ্টপুষ্ট ছেলে আমাদের সামনে নাযিল হলো।
মোনায়েম খাঁ কে?
এমরানুর রেজা কে?
মোনায়েম ভাই অবাক হয়েছে কিনা জানি না, আমি বেশ অবাক হয়েছি। অবাক হওয়ার কারন এই পোলা কে না কে, তাছাড়া আমাদের নাম জানে কীভাবে। আমি প্রচণ্ড রকমের ইনট্রুভাট। মেপে মেপে কথা বলি। তাই উত্তরটা মোনায়েম ভাইকেই দিতে হলো।
আমি মোনায়েম, আর সে রেজা।
তারপর বশির যা বলে,
মোনায়েম ও রেজা; তোমরা এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ , ছয় রোলনম্বরের আশা করবা না( বসির সিন্ডিকেট এই রোলনম্বরগুলো দখল করবে)।
আমি আকাশের তারা গুনে আসলাম কিছুক্ষণের জন্য। বক্তব্য দিয়েই সে ক্লাস থেকে বের হয়ে গেলো। দ্রুত বের হয়ে গেলো। আমার আক্রমণ করার ক্ষমতা অনেক । আমি তাকে আক্রমণ করতে পারতাম । কিন্তু যারা আক্রমণ করে নিজেকে ক্ষমতাবান মনে করে আমি কেন যেন তাদের আক্রমণ সহ্য করে তাদের চেয়ে ক্ষমতাবান হিসাবে নিজেকে বিবেচনা করি।
ক্লাস চলে। আমি একদিন ক্লাসে যাই তো দুইদিন যাই না। প্রথম সেমিস্টার পরীক্ষা হয়ে গেলো। রেজাল্ট দিলো। আমি ইংরেজি সেকেন্ড পেপারে পেয়েছি পঁচিশ। মানে ফেইল। তেত্রিশ পেলে পাস। আমার প্রচণ্ড মন খারাপ। দিদি বললেন জীবনে এক-দুই বার ফেইল না করলে পাসের মর্ম বোঝা যায় না। দিদির কথা শুনে আমি ভয়ঙ্কর রকমের আশাবাদী হয়ে উঠলাম। তারপর থেকে নিয়মিত ক্লাসে যাই, নিয়মিত পড়াশোনা করি।
ফাইনাল পরীক্ষা দিলাম। রেজাল্ট দিলো। মোনায়েম ভাইয়ের রোল হলো এক,
রাজনের দুই
আর আমার তিন।
আমার বন্ধু বশিরের জন্য দুঃখ হলো। কারন সে এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ, ছয়ের ভেতরে থাকতে পারেনি। তার রোলনম্বর হয়েছিল ষোল।
বার্ষিক পরীক্ষা শেষ করে খেলাধূলা নিয়ে ভয়ানক ব্যস্ত গ্রামের যুবক। দুটি পাড়ার দল। ক্রিকেট খেলা। এই খেলাটি শীতকালে দশ-বারো বছর যাবৎ গ্রামের যুবকের প্রিয় অভ্যাসগত খেলা।
জানুয়ারির শেষ দিকে নতুন বইয়ের গন্ধ। নতুন চাল। নতুন ক্লাস। নতুন স্কুল। নতুন টিচার। নতুন কিছু প্রিয় মুখ।
আমিও নতুন ক্লাসে। নতুন স্কুলে। অচেনা মুখের ভীড়ে। ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হলাম। আড়াইসিধা কে বি উচ্চ বিদ্যালয় আমার মাধ্যমিক স্কুল।
আজকে ক্লাস হওয়ার কথা। প্রথম ক্লাস। কিন্তু ক্লাস হয়নি। ফাস্ট বেঞ্চে বসে আছি আমি আর আমার মামাতো ভাই মোনায়েম। মোনায়েম খাঁ। হঠাৎ এক হৃষ্টপুষ্ট ছেলে আমাদের সামনে নাযিল হলো।
মোনায়েম খাঁ কে?
এমরানুর রেজা কে?
মোনায়েম ভাই অবাক হয়েছে কিনা জানি না, আমি বেশ অবাক হয়েছি। অবাক হওয়ার কারন এই পোলা কে না কে, তাছাড়া আমাদের নাম জানে কীভাবে। আমি প্রচণ্ড রকমের ইনট্রুভাট। মেপে মেপে কথা বলি। তাই উত্তরটা মোনায়েম ভাইকেই দিতে হলো।
আমি মোনায়েম, আর সে রেজা।
তারপর বশির যা বলে,
মোনায়েম ও রেজা; তোমরা এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ , ছয় রোলনম্বরের আশা করবা না( বসির সিন্ডিকেট এই রোলনম্বরগুলো দখল করবে)।
আমি আকাশের তারা গুনে আসলাম কিছুক্ষণের জন্য। বক্তব্য দিয়েই সে ক্লাস থেকে বের হয়ে গেলো। দ্রুত বের হয়ে গেলো। আমার আক্রমণ করার ক্ষমতা অনেক । আমি তাকে আক্রমণ করতে পারতাম । কিন্তু যারা আক্রমণ করে নিজেকে ক্ষমতাবান মনে করে আমি কেন যেন তাদের আক্রমণ সহ্য করে তাদের চেয়ে ক্ষমতাবান হিসাবে নিজেকে বিবেচনা করি।
ক্লাস চলে। আমি একদিন ক্লাসে যাই তো দুইদিন যাই না। প্রথম সেমিস্টার পরীক্ষা হয়ে গেলো। রেজাল্ট দিলো। আমি ইংরেজি সেকেন্ড পেপারে পেয়েছি পঁচিশ। মানে ফেইল। তেত্রিশ পেলে পাস। আমার প্রচণ্ড মন খারাপ। দিদি বললেন জীবনে এক-দুই বার ফেইল না করলে পাসের মর্ম বোঝা যায় না। দিদির কথা শুনে আমি ভয়ঙ্কর রকমের আশাবাদী হয়ে উঠলাম। তারপর থেকে নিয়মিত ক্লাসে যাই, নিয়মিত পড়াশোনা করি।
ফাইনাল পরীক্ষা দিলাম। রেজাল্ট দিলো। মোনায়েম ভাইয়ের রোল হলো এক,
রাজনের দুই
আর আমার তিন।
আমার বন্ধু বশিরের জন্য দুঃখ হলো। কারন সে এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ, ছয়ের ভেতরে থাকতে পারেনি। তার রোলনম্বর হয়েছিল ষোল।
সোমবার, ৪ জানুয়ারি, ২০১৬
মানুষ
মানুষ যখন মারা যায়
সরিষা ফুলের গোপন শিশুটিও কান্দে নিরালায়
সরিষা ফুলের গোপন শিশুটিও কান্দে নিরালায়
রবিবার, ৩ জানুয়ারি, ২০১৬
ঘুম থেকে
ঘুম থেকে ওঠে দেখলাম সোহাগ প্রতি প্লেট পেঁপের মূল্য নির্ধারণ করেছে দশ টাকা।
দুই দিন আগে প্রতি প্লেট পেঁপের মূল্য এক ধাপে পাঁচ টাকা বেড়ে যায়। মূল্য বৃদ্ধির বিষয়টি আমার জন্য পীড়াদায়ক। কারণ পাঁচ টাকা উপার্জন করতে কী পরিমাণ ঘাম ঝরে তা একজন কৃষকের ছেলের না জানার কথা নয়।
আলুর দাম যদি তিন টাকা বেড়ে যায় তাহলে একজন কৃষক মরিচ কিনতে পারেন না। ধানের দাম যদি মণ প্রতি পাঁচ টাকা কমে যায় তাহলে একজন কৃষকের নতুন একটি লুঙ্গি কেনা হয় না। তাই দুই টাকা, তিন টাকা, পাঁচ টাকার মূল্যজ্ঞান অর্থনীতিবিদদের না থাকলেও আমার মতো কৃষকের ছেলের রাখতে হয়।
সোহাগের প্রতি অনেক আনন্দ হলো। হঠাৎ পেঁপের মূল্য কমিয়ে দেয়ার কারন জানতে পারেনি। শুধু মনে পড়ে একদিন সকালে দুই প্লেট পেঁপে ত্রিশ টাকা দিয়ে খেয়ে আস্তে করে বলেছিলাম প্লেট প্রতি পেঁপেমূল্য দশ টাকাই তো ভালো ছিল।
আস্তে করে কথা বলার মূল্য আমি অনেক পেয়েছি। আজও পেলাম। তাই আস্তে করে কথা বলার প্রতি আস্থা বেড়ে গেলো।
মানুষ এতো জোরে জোরে কথা বলে কেন? তিনি যে শক্তিশালী তা কি স্পষ্ট করতে চান? জোরে কথা বলার মধ্যে ব্যবসায়িক সফলতা হয়তো আছে তবে কূটনৈতিক বিফলতার কথাও কিন্তু অস্বীকার করা যায় না।
পেঁপে খেয়ে এক রিক্সাচালক মামাকে ডাক দিলাম। বিনম্র ভাষায় জানতে চাইলাম কাঁটাবন যাবেন কিনা। মামা কবুল বললেন। আস্তে করে জিজ্ঞেস করলাম আপনার বাড়ি কোথায় ...
চাদঁপুর
আমার বাড়ি কোথায় জানতে চান তিনি...
ব্রাক্ষ্মণবাড়ীয়া ...
ব্রাক্ষ্মণবাড়ীয়া তো অনেক অভিজাত এলাকা। আমাগো এলাকার মানুষ আফনাগো এলাকায় কাম করতে অ্যাইয়ে ...
আল মাহমুদের কথা মনে পড়ে। আল মাহমুদ তাঁর ``যেভাবে বেড়ে উঠি" গ্রন্থে ব্রাক্ষ্মণবাড়ীয়ার মানুষকে অনেক অভিজাত, উন্নত মানসিকতার, সংস্কৃতিবান মানুষ হিসেবে তথ্য দিয়েছেন।
রিক্সাচালক মামার সাথে বেশি কথা হয়নি। শুধু কুশল জিজ্ঞাসা এই যা। মুহিব ভাইয়ের দোকানের সামনে তিনি রিক্সা থামালেন। আমি টাকা দেয়ার জন্য মানিব্যাগ হাতে নিলাম।মামা টাকা নিতে চান না। অনেক পীড়াপীড়ি করলাম। মামা টাকা নিবে না তো নিবেই না।
ও মা, এ কী! কার্যকারণ কিচ্ছু মেলাতে পারছি না।
কতজনকে দেখি ভাড়া কম দেয়ার জন্য জোরে জোরে চিল্লাচিল্লি করতে, রিক্সাচালকও আরও জোরে চিল্লাচিল্লি শুরু করে। তাহলে ইনি কে? যিনি টাকা নিতে চান না।
আমি তো আস্তে আস্তে মামার সাথে কিছুক্ষণ কুশল-কথা বলেছি মাত্র।
যাক, তাঁর কাছ থেকে বিদায় নিলাম। শুধু বললাম টাকা নিলে ভালো লাগতো। তিনি বললেন, না নিয়ে আমার ভালো লেগেছে ....
মুহিব ভাইয়ের দোকানে ঢুকলাম।
ভাই, একটি লেখা প্রিন্ট দিতে হবে।
প্রিন্টার তো কাজ করে না। সকাল থেকে অনেক চেষ্টা করেছি।
আস্তে করে বললাম, দেন না দেখি।
মুহিব ভাই প্রিন্ট দিলেন।
ঝকঝকে প্রিন্ট, ফকফকা লেখা।
মুহিব ভাই অবাক হয়ে আমার দিকে তাকালেন। আমার অবাক হওয়ার মতো কিছু ছিল না। কারণ আমি জানি আস্তে কথা বলার শক্তি কত!
দুই দিন আগে প্রতি প্লেট পেঁপের মূল্য এক ধাপে পাঁচ টাকা বেড়ে যায়। মূল্য বৃদ্ধির বিষয়টি আমার জন্য পীড়াদায়ক। কারণ পাঁচ টাকা উপার্জন করতে কী পরিমাণ ঘাম ঝরে তা একজন কৃষকের ছেলের না জানার কথা নয়।
আলুর দাম যদি তিন টাকা বেড়ে যায় তাহলে একজন কৃষক মরিচ কিনতে পারেন না। ধানের দাম যদি মণ প্রতি পাঁচ টাকা কমে যায় তাহলে একজন কৃষকের নতুন একটি লুঙ্গি কেনা হয় না। তাই দুই টাকা, তিন টাকা, পাঁচ টাকার মূল্যজ্ঞান অর্থনীতিবিদদের না থাকলেও আমার মতো কৃষকের ছেলের রাখতে হয়।
সোহাগের প্রতি অনেক আনন্দ হলো। হঠাৎ পেঁপের মূল্য কমিয়ে দেয়ার কারন জানতে পারেনি। শুধু মনে পড়ে একদিন সকালে দুই প্লেট পেঁপে ত্রিশ টাকা দিয়ে খেয়ে আস্তে করে বলেছিলাম প্লেট প্রতি পেঁপেমূল্য দশ টাকাই তো ভালো ছিল।
আস্তে করে কথা বলার মূল্য আমি অনেক পেয়েছি। আজও পেলাম। তাই আস্তে করে কথা বলার প্রতি আস্থা বেড়ে গেলো।
মানুষ এতো জোরে জোরে কথা বলে কেন? তিনি যে শক্তিশালী তা কি স্পষ্ট করতে চান? জোরে কথা বলার মধ্যে ব্যবসায়িক সফলতা হয়তো আছে তবে কূটনৈতিক বিফলতার কথাও কিন্তু অস্বীকার করা যায় না।
পেঁপে খেয়ে এক রিক্সাচালক মামাকে ডাক দিলাম। বিনম্র ভাষায় জানতে চাইলাম কাঁটাবন যাবেন কিনা। মামা কবুল বললেন। আস্তে করে জিজ্ঞেস করলাম আপনার বাড়ি কোথায় ...
চাদঁপুর
আমার বাড়ি কোথায় জানতে চান তিনি...
ব্রাক্ষ্মণবাড়ীয়া ...
ব্রাক্ষ্মণবাড়ীয়া তো অনেক অভিজাত এলাকা। আমাগো এলাকার মানুষ আফনাগো এলাকায় কাম করতে অ্যাইয়ে ...
আল মাহমুদের কথা মনে পড়ে। আল মাহমুদ তাঁর ``যেভাবে বেড়ে উঠি" গ্রন্থে ব্রাক্ষ্মণবাড়ীয়ার মানুষকে অনেক অভিজাত, উন্নত মানসিকতার, সংস্কৃতিবান মানুষ হিসেবে তথ্য দিয়েছেন।
রিক্সাচালক মামার সাথে বেশি কথা হয়নি। শুধু কুশল জিজ্ঞাসা এই যা। মুহিব ভাইয়ের দোকানের সামনে তিনি রিক্সা থামালেন। আমি টাকা দেয়ার জন্য মানিব্যাগ হাতে নিলাম।মামা টাকা নিতে চান না। অনেক পীড়াপীড়ি করলাম। মামা টাকা নিবে না তো নিবেই না।
ও মা, এ কী! কার্যকারণ কিচ্ছু মেলাতে পারছি না।
কতজনকে দেখি ভাড়া কম দেয়ার জন্য জোরে জোরে চিল্লাচিল্লি করতে, রিক্সাচালকও আরও জোরে চিল্লাচিল্লি শুরু করে। তাহলে ইনি কে? যিনি টাকা নিতে চান না।
আমি তো আস্তে আস্তে মামার সাথে কিছুক্ষণ কুশল-কথা বলেছি মাত্র।
যাক, তাঁর কাছ থেকে বিদায় নিলাম। শুধু বললাম টাকা নিলে ভালো লাগতো। তিনি বললেন, না নিয়ে আমার ভালো লেগেছে ....
মুহিব ভাইয়ের দোকানে ঢুকলাম।
ভাই, একটি লেখা প্রিন্ট দিতে হবে।
প্রিন্টার তো কাজ করে না। সকাল থেকে অনেক চেষ্টা করেছি।
আস্তে করে বললাম, দেন না দেখি।
মুহিব ভাই প্রিন্ট দিলেন।
ঝকঝকে প্রিন্ট, ফকফকা লেখা।
মুহিব ভাই অবাক হয়ে আমার দিকে তাকালেন। আমার অবাক হওয়ার মতো কিছু ছিল না। কারণ আমি জানি আস্তে কথা বলার শক্তি কত!
শনিবার, ২ জানুয়ারি, ২০১৬
অতীতের তুমি
অতীত তুমি কত মূর্খ ছিলে
খাল কেটে কুমির এনে নিজেকে খাওয়ালে
অযথা মানুষকে অথবা শেখালে
যত রাগ তত ভাগ জেনেও বার বার রেগে গেলে
চোখের ইশারায় গভীর জলে নিজেকে ভাসালে
অতীত তুমি কত মূর্খ ছিলে
খাল কেটে কুমির এনে নিজেকে খাওয়ালে
অযথা মানুষকে অথবা শেখালে
যত রাগ তত ভাগ জেনেও বার বার রেগে গেলে
চোখের ইশারায় গভীর জলে নিজেকে ভাসালে
অতীত তুমি কত মূর্খ ছিলে
স্রোত
নদীর স্রোত উপরে উপরে
সাগরের স্রোত ভেতরে ভেতরে
সাগরের স্রোত ভেতরে ভেতরে
শুক্রবার, ১ জানুয়ারি, ২০১৬
হরিণ
এক দেশে এক হরিণ ছিল। এখন সেই একদেশের নাম পরকাল। মানুষের দেশে বারো মাস ইহকাল।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)