সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০১৫

রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৫

শিক্ষা

স্কুলে ভর্তি হওয়ার সাথে সাথে শিশুর হাতে বই ধরিয়ে দেয়া হয় না, দেয়া হয় প্রতিযোগিতার অসীম গোলক ধাঁধাঁ। গোলক ধাঁধাঁয় পড়ে প্রথমে শিশুটি তার পাশের শিশুটিকে প্রতিযোগী ভাবতে শিখে। জীবনের প্রথম শিক্ষালয়ে শিশু শিশুর কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার পরিবর্তে কাঁধে অস্ত্র রেখে চলার শিক্ষা লাভ করে।

এইভাবে শিশু বড় হতে থাকে, হতে থাকে ব্যক্তিগত, হতে থাকে আপনি বাঁচলে বাপের নাম পরিবারের বাসিন্দা। অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ কমতে থাকে। অপরকে যে শ্রদ্ধা করে না সে কখনো পূর্ণাঙ্গ মানুষ হতে পারে না।

অপূর্ণাঙ্গ মানুষ আবিষ্কারের কাহিনি মুখস্থ করে, কখনো আবিষ্কারক হয়ে ওঠতে পারে না।
আবিষ্কারক হয়ে ওঠার জন্য যে সমতার নীতি প্রয়োজন তা কিছু বিসর্জন দেয় স্কুলে, কিছু কলেজে, বাকি সবটা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে।

প্রত্যেক ছাত্র কঠোর পরিশ্রম করে। লাইফটারে একেবারে তেজপাতা বানাইয়া ফেলে। তারপর তারা চাকর হওয়ার যোগ্যতা লাভ করে। সত্যিই ব্যক্তিগত প্রতিযোগিতার শক্তি অনেক(!)টাই পড়া শিখতেও সে মানুষকে জীবনের অর্ধসময় ব্যয় করতে বাধ্য করে!

এখানকার ছাত্র সকাল-সন্ধ্যা মুখস্থ করে আমাদের ব্যবহৃত দ্রব্যের প্রায় 95 শতাংশ সিনথেটিক। আর ভিনগ্রহের মানুষ সেই সিনথেটিক দ্রব্য সরবরাহ করে। এখানকার ছাত্র প্রযুক্তির নাম মুখস্থ করে হয় দেশ পরিচালনার কর্ণধার। আর তারা প্রযুক্তির নিত্য নতুন কৌশল আবিষ্কার করে হয় জনগণের সেবক।

পরবর্তীতে দেখা যায় সাধারণ জ্ঞান মুখস্থকারী কর্ণধারেরা দেশ পরিচালনা করতে গিয়ে বেশ পরিচালনা করতে থাকে। যে বেশে মিশে থাকে আপনি বাঁচলে বাপের নামের গন্ধ। কর্মক্ষেত্রে এসেও পাশের চেয়ারে বসা মানুষটি কখনো তার সহযোগী হয়ে ওঠে না, হয়ে উঠে প্রতিযোগী। ফলে বস্তুগত কিছু আবিষ্কার করার পরিবর্তে অবস্তুগত নিন্দাপাঠ হয়ে ওঠে দিনাপাতের মূল আলোচ্য বিষয়।

এখানকার বড় বড় ডিগ্রি কেবল বিশেষ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, কখনো ক্রিয়ার মুখ দেখে না। ফলে এখানকার ক্রিয়ার নাম হিংসা, এখানকার ক্রিয়ার নাম নিন্দাপাঠ, এখানকার ক্রিয়ার নাম মিথ্যা আমিত্বের প্রকাশ এবং প্রকাশ।

ক্লাস ডিঙানো, ভালো নম্বর পাওয়া, একটি চাকরিকে নিশ্চিত নির্ভরতা মনে করা এবং প্রমোশন পাওয়ার চকলেটকে সামনে রেখে জাতি সামনের দিকে এগিয়ে যায়! পৃথিবীর ইতিহাসে লেখা হয় উন্নয়নশীল দেশ থেকে উন্নত রাষ্ট্র। জাতি ভুলে যায় মোটা হওয়া মানে স্বাস্থ্য হওয়া না।

জাতি কি কোনোদিন বুঝবে না গাছের গুণগত অবস্থান ভালো না হলে ফলগত অবস্থান ভালো হয় না!?

বাদ

একটি গর্ত পূর্ণ করতে গিয়ে  আরেকটি গর্ত তৈরির কোনো মানে নেই। তাহলে গর্তচক্র আর পূর্ণচক্র অব্যহত থাকবে।

যারা নারীবাদী তারা পুরুষতন্ত্রের উপর মই চালায়, আর যারা পুরুষ তারা শিয়ালের মতো লেজকাটানীতি গ্রহণ করে। ফলে কাকড়ানীতিতে পড়ে থাকে সমাজ, স্থবির হয়ে থাকে মানব সভ্যতা।

আসলে যারা মানুষ তারা মানুষনীতিতে বিশ্বাসী। 

শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০১৫

কালা

তোমার মনে কালা ছিল না
ছিল কালার বাঁশি
রাধা, রাধা গো
বৃন্দাবনে ভোর হলে কিচিরমিচির, ডাকাডাকি করে সব পাখি
ভোরের ডাকে পাখির ঘুম ভাঙ্গে
তুমিও রাধা পাখি হলে
বৃথা তোমার অভিযোগ
থাকো তুমি অভিমানে
অভিমানের জল ঘোলা হলে ঢেউ উঠে মনে 

পুকুর

আমরা পুকুর কেটে বাড়ি বানাই 

শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০১৫

কুকুর আশ্বস্ত করে, কারণ বিশ্বস্ত থাকার ঐতিহ্য কুকুরেরই রয়েছে

Dog makes a hopeful dune as for the belief system is properly tenable to dog 

বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০১৫

গাল দিতে গিয়ে গালি দিয়ে ফেল, চুমু খেতে গিয়ে চামার হয়ে পড়ি