বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০১৫

Time has gone been

Time has gone been on missing and getting. Where the steady of time? Still is blind.
Animal born, they were born.
where?
On eye, in time, onto thought?
Every life leading is a project, project of illusion. Illusion is the insect of movement. Illusion always for aspirations .Fucking death come please over the tune. you are real so, friendly real. Only for a real you, they and animal are born. Every born either burning or shaking . Inertia of motion or steady of motion namely drown picture only in the borne on establishment.

বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০১৫

ট্রেনের গতি

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে বসে আছি। একটু পরে ট্রেন ছাড়বে। একটু পর মানে ইনফিনিট সময়। বিশেষ করে বাংলাদেশ রেলওয়ের ব্যাপারে।

জানুয়ারি মাসের কথা। বাড়ি যাব। রাত নয়টায় কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে এলাম। চট্রগ্রাম মেইল। স্টেশন থেকে ট্রেন ছেড়ে যাবার কথা রাত এগারটা ত্রিশ মিনিটে। সেই ট্রেন ছাড়ল সকাল এগারটায়। সারা রাত মশার জীবন দেখলাম। মশারা যে দলবদ্ধভাবে আক্রমণ করে এমন নয় , প্রত্যেক মশা তার দায়িত্বটা পালন করে আন্তরিক নিষ্ঠা সমেত। ফলে তাদের স্বতন্ত্র আক্রমণ দলবদ্ধ আক্রমণ হয়ে আমাদের শরীরের দিকে তেড়ে আসে। মশারা অলস কিংবা ভীত নয়। প্রয়োজনই তাদের কাছে আসল কথা। প্রয়োজনে যদি মরন আসে, আসবে। রাতভর মশার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করলাম। অনেক মশা শহীদ হয়েছিল, অনেক মশা গাজির উপাধি নিয়ে  বাড়ি ফিরে যায় হয়তো।যে মশাটি আমার কাছ থেকে অনাহত অবস্থায় ফিরে গেল আমারই মতো অন্য কোনো মানুষ হয়তো তাকে হত্যা করল। মশাপরিবারে হত্যা হওয়াও একটি কাজ, জন্মের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ।  আমাদের আবর্জনা থেকে যে মশার জন্ম সেই মশার কী আশ্চর্য রকমের দায়িত্বজ্ঞান, প্রয়োজনীয় জীবন।

হ্যাঁ,  দুই ঘণ্টা হয়ে গেল।  ট্রেন স্টেশন ছেড়ে যাবে এমন কোনো ঘোষণা এখনো  আসেনি। আসবে হয়তো। I am waiting for announcement। ঘোষণা হলেই উঠে যাবো ট্রেনে। ট্রেন চলবে। আমি কেবল থেমে থেমে ট্রেনের গতি দেখবো। কারণ লোকো- মাস্টার জানে না ট্রেনের গতি যে জনগণের গতি।

আদিম

`চাওয়া' এক আদিম নেশা। `পাওয়া ' এক পাগল ঘোড়া। পাগলা ঘোড়ায় বসে আছে মাতাল। গৌতমও মাতাল বটে। পৃথিবীটা মাতালের ঘর, ঘরের ভেতর ঘর। ও আমার পাগলা ঘোড়া রে, বুড়ি হইলাম তোর কারণে। 

মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০১৫

আমার পৃথিবী

নদীতে জোয়ার আসে, ভাটা আসে নদীতেই। জোয়ার- ভাটা জলের খেলা। নদীতে জলের কলোনি। নদী মেনে চলে জলের উপনিবেশ।
জল ছাড়া নদী হয় নাকি?
তুমি ছাড়া আমি?
পৃথিবীর বিভব শুন্য জানার পরও পৃথিবী নয়,  তুমি আমার পৃথিবী, আর আমি মুক্ত ধনাত্মক আধান, আধখানা জলের মতো ঘুরাফেরা করি নদী থেকে সাগর, সাগর থেকে নদী। 

সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০১৫

সমতুল্য

পৃথিবী আজ ছোট হয়ে এল। বড় হয়ে গেল দায়িত্ববোধ, স্রোতের ধারাবাহিক জীবন। জীবনকে দেখেছিলাম মেঘের মাথায়। বৃষ্টিতে হলো তার আত্মহত্যা। আত্মহত্যা মানেই তো জীবন। ঝড়ো হাওয়া বদলে দিতে পারেনা মেঘের জীবন। মেঘ মরবেই। মরণ তার নিয়তি। ভাসমান নিয়তি নরকের মতো আরামদায়ক, জ্বলে জ্বলে নতুন জীবন।

সাঁই

ব্যথা মাথা থেকে আস্তে আস্তে নিচে নামে। এ কেমন ব্যথা! বুকের বাম পাশে একটি অদৃশ্য দহন। সাদা শাড়ি গলায় দিয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে যে নারী সেই জানে এ ব্যথা কেমন। চোখের জলে এই ব্যথা ধীরে ধীরে কর্মহীন হয়ে পড়ে। কর্মহীন ব্যথা আবার স্মৃতির পাতায় ঢেউ তোলে। ঢেউয়ের রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে মনে পড়ে আমাদেরও  ছিল সোনালি সময়, লকলকে লাউয়ের ডগার মতো সবুজ এক সময়। ব্যথার সাগর পাড়ি দিয়ে বন্ধুর বাড়ি যাই, বন্ধু আমার বরফগলা শীতের দেশের সাঁই। 

শনিবার, ২১ মার্চ, ২০১৫

নাগরিক বিলাসিতা

সময় বদলে গেছে। বদলে যাচ্ছে মানসিকতা। তৈরি হচ্ছে বিলাসিতার আপডেট ভার্সন।

আব্বা ফজরের আযানের আগে ঘুম থেকে উঠতেন। মাঠে যেতে হবে, জমিকে লাঙল চালিয়ে করতে হবে আবাদি, ফসলি। খুব তাড়া। এতো ভোরে রান্না করার সুযোগ নেই। আব্বা পানিতে জমানো ভাত থালায় তুলতেন, আম্মা তাড়াতাড়ি শুটকিভর্তা করে আব্বার পাতে দিতেন। পান্তা ভাত আর শুটকিভর্তার আদলে আব্বা তাঁর পেট মহাশয়কে সন্তুষ্ট করতেন। আমার ঠাকুরদাও তাই করতেন। এই হলো  কৃষকশ্রেণীর নাস্তা করার স্টাইল। নাস্তা করার নাগরিক অর্থ তাঁরা  জানেন না। তাঁরা কেবল উদরপূর্তি করার জন্য খায়। শর্করা, আমিষ, স্নেহ পর্দাথের খবর তাঁদের কান পর্যন্ত পৌঁছে না।
অথচ কৃষক শ্রেণী সত্যিকারের মানুষ, সব সাধকের বড় সাধক। সেই সাধকদের সঠিক মূল্যায়ন না করে, অবমূল্যায়নের সিনেমা তৈরি করে নাগরিক জীবন। সেই সিনেমার নাম `পান্তা- ইলিশ ভক্ষণ'। সিনেমা হলটির নাম `পহেলা বৈশাখ'। একটি ইলিশ এক বছরে হয়তো কোনো কৃষকের ঘরে  খাবার হিসাবে রান্না করা হয় না। হয়তো নয়, সত্য, বেদনাদায়ক সত্য। বেদনাদায়ক সত্যটি কী নির্মমভাবে নাগরিক জীবনে বাস্তবিক বিলাসিতা।

নাগরিক জীবনে আরেকটি বিলাসিতা আছে, আর তা হলো অনুরাগবিচ্ছেদ বিলাসিতা। যুবক - যুবতী প্রেম করে না, রিলেশনের বাজেট তৈরি করে। কয়েকদিন রিলেশনের বাজেট ঠিকঠাক চলে। কিছুদিন পর লাভ- লোকসানের হিসাব আসে, ফলে দেখা দেয় ঘাটতি বাজেট। ঘাটতি বাজেটে রিলেশন কেরিঅন?  ইমপসিবল! চলে ব্রেকআপ সংবিধান।স্বাতন্ত্র্য বিধানে দুজন আলাদা। আলাদা হয়েও পেইনচর্চা করতে হবে। নতুবা যে নীল ঘরে রঙিন পানির পেয়ালা আরামদায়ক হয়ে উঠবে না, মিউজিক প্লেয়ারের গানগুলো মুহূর্তের রসদ জোগাবে না। নাগরিক জীবনের কাছে নারী- বাড়ি, গাড়ির মতো পেইনচর্চাও এক আশ্চর্য রকমের বিলাসিতা। শ্রমজীবী মানুষের পেইনচর্চার সুযোগ নেই। কারণ সকালে কাজে না গেলে যে তাঁকে  উপোস থাকতে হবে। তাঁদের তো আর ব্যাংকে জমা নেই টাকার খতিয়ান, নেই কোনো ক্রেডিট কার্ড কিংবা অবসরবীমা। শ্রমই তাঁদের বল। বলকে পুঁজি করে তাঁরা দিন আনে, দিন খায়। তাঁদেরও দিন যায়, তাঁদেরও দিন যায়।দিন আসবে সুদিন হয়তোবা, হয়তোবা কোনোদিন!