বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০১৫

রহমত

বাংলাদেশের মানুষ ইমোশন আর আল্লার একমাত্র  রহমতের  উপর ভরসা করে দিনপাত করে। আল্লার রহমত আর ইমোশন সহোদর। এই সহোদরকে ডেসটিনি ভেবে তারা পথে হাঁটে না, ঘুমায় ; তাদের কাছে তখন সময় একটি ``কাটানোর" বিষয় আর ``আড্ডা" একটি জনপ্রিয় কাজ।

The people of Bangladesh lead their chaotic lives relying on the emotion and the only blessing of God. Emotion and seeking a bless are same aforesaid touch. Being used to the two parallel light they are not active but sleep in the dream. Only for that time is wasting mania and Adda is tasty task to them. 

সূর্য

সূর্য পড়ছে পৃথিবীতে। পতিত সূর্য পৃথিবীর ঘাস। চোখ অফ করে সূর্য দেখি, অন করে দেখি ঘাসের খেলা। সূর্য আর পৃথিবীর মধ্যমণি আমাদের `মা'। মা ঘাস কাটছে অন্য এক মায়ের জন্য। ঘাসেরও যে কিছু কথা আছে, আছে কিছু পোষমানা ব্যথা-- মা তা কোনোদিন জানতে চায়নি। মা কেবলই জন্মখেলার উপকরণ, উপাদান। উপকরণ, উপাদানের প্রায়োগিক আবেদন বদলাপুরে গেলেও `মা' কথাটা মায়ের মতোই। মা থেকে আমি, আমাকে নিয়ে আমরা, আমরা থেকে প্রাণিসভা, প্রাণ যেখানে প্রাণের খাবার।
এইভাবেই পৃথিবী এক অটোক্যাড সাম্রাজ্য, মানুষ এক প্রাদেশিক কসাই।

বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০১৫

ঝিঁঝিঁ

একটা সময় ক্রিকেট খেলতাম। এখন ঝিঁঝিঁ পোকা  আমাকে নিয়ে খেলে।

Cricket was my once upon game. Now I am the tiny toy of the cricket.  

লেখা থামাও

লেখক! তোমার লেখা থামাও। লেখাতেই তুমি পরাধীন। লেখার কারণে তোমার প্রিয় অপ্রিয় হয়ে যাবে। লেখার কারণে চাকরিটা তোমার অকালেই হারাবে। বাইরে যত আগুন আছে হৃদয়ে খেলা করবে, দহন তোমার সুজন হবে, সুজন দৌড়ে পালাবে। যে গরুটা গোয়াল চিনে না, সেও তোমাকে জানবে, ঘাসজ্ঞানে তোমার তোমাকে পাতাল- নরকে নামাবে।
লেখক তোমার লেখা থামাও!
নইলে বাঁচার আগেই মরবে। পাঁচ বছরের শিশুটা তোমার "বাবা বলে" কাঁদবে।
ভুলে যাও তুমি, এখনি ভুলে যাও পুরাতন যত শ্লোকের হাপর--

সংসার বিষবৃক্ষশ্চ দ্বে এব রসময় ফলে
কাব্যামৃত রসাস্বাদনং সঙ্গম সুজনৈসহ

তেলের একটি দোকান খুলে দোকানী হও বাজার মানে
কন্যা- পুত্র সংসার নিয়ে দিন কেটে যাবে সুরেলা গানে 

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০১৫

শব্দ

শব্দ বিভ্রান্ত করে তোমাকে, আমাকে, সবাইকে। শব্দ অনেকটা কালিদাসের গল্প -- যে ঢালে বসে সেই ঢালই কাটে। শব্দ বিভ্রান্ত করে তোমাকে, আমাকে, তাকে। বাস কিংবা ট্রাক নয়, কিছু শব্দ তেড়ে আসে আমার দিকে, আহত করে, হতাহত ভোরে পড়ে থাকে নিথর দেহ, সোপার্দ আলোর নিজস্ব কামড়ায় নিশ্চল হতে বাধ্য আমার কাস্তেগার দেহ। হায়রে দেহ, দেহরক্ষী আমার। 

সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০১৫

12032015

জানালার পাশে রাস্তাটি খোলা। মন খুলে বসে আছি। সাইকেলের স্বভাবসুলভ শব্দ হলেই চোখ মেলে তাকাই। এই বুঝি তুমি এলে। একের পর এক সাইকেল আসে, আসে সাইকেলের দোটানা শব্দ। ধীরে ধীরে রাস্তাটি নগ্ন হয়ে উঠে, চেয়ে থাকার মগ্নতা বাড়ে, আরো বেড়ে চলে। সকাল গড়িয়ে বিকেল, বিকেল গড়িয়ে রাত, রাত থেকে আবারো সকাল। জানালাটি নিসঙ্গ একা। জানালার মন আর আমার নিষ্কাশিত চোখ মিলেমিশে একাকার।চোখ, জানালা আর সেই রাস্তাটি অপেক্ষার চিহ্ন বহন করে যাবে চিরকাল।
ভালোবাসার উদোম আকাশ
বেদুম হাওয়ায় চলে
অলস দুপুর ক্লান্ত হলে
শান্তি নাহি মিলে

রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০১৫

নুরু পাগলা

আড়াইসিধা গ্রামের নুরু পাগলা। তিনি পাগল ছিলেন কিনা জানিনা। লোকে তাকে পাগল বলতো। লোকে তাদেরই পাগল বলে  যারা লোকের মতো মানসিক সিমেন ধারণ করেনা। তিনি আস্ত গ্রাম ঘুরতেন আর ওয়াজ করতেন। ওয়াজও যে এক বাক্যে হতে পারে তাঁর  কাছ থেকে  শিখেছিলাম।  তিনি আজ চোখের সামনে নেই।
আজ জায়গা টু জায়গা, মন টু মন বিহার করি, নিহার করি হাজারো আপ্তবাক্যে, পৃথিবী সাজানোর জন্য বাণী চিরন্তনীর লক্ষাধিক ফাইল প্রযুক্তির ডেস্কে।
 কিন্তু,
কিন্তুর পর অসংখ্য স্পেস থেকেই যায়!
 মানুষ,
মানুষ হয়েই থাকলো,  পিতা হতে পারেনি।
মানুষের স্রোতে নুরু পাগলাকে পিতা মনে হয় আর তাঁর সেই এক বাক্যের ওয়াজটি আসলেই  পৃথিবীর সজীব সন্তান --

আইন ঠিক, সব ঠিক