সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

বোমা

লাশের শরীরে পেট্রোল বোমার মিষ্টিগন্ধ
সময়টা এক বৃদ্ধ পুরুষ চোখটি তার অন্ধ 

শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

বরকতময় বক্তৃতা

এক সমাজতন্ত্রীর সাথে কথা হলো। তিনি জন মানুষের কথা বললেন। জন মানুষের মুক্তির কথা বললেন। তিনি বললেন বড় বড় দালান নাকি শ্রমজীবী মানুষের ঘামের(যে রক্ত ঘাম হয়ে ঝড়ে) ফসল। যারা চকচকে মোমের মতো জীবন কাটায় তারা নাকি শ্রমজীবী মানুষের ত্যাগের মহিমা ভোগ করে। শুনতে ভালো লাগে এমন আরো অনেক কথা।

চলে যাবার সময় তার বাড়িতে যাওয়ার নেমন্ত্রণ দেন। জানতে পারি তার বাড়ি নারায়ণগঞ্জ এবং বাড়িতে ছয়তলা বিল্ডিং, তার সন্তান মাংস ছাড়া ভাত খায়না।

আমাদের গ্রামের রিক্সাচালক জসিমকে জিজ্ঞেস করেছিলাম দেশের বিখ্যাত সাম্যবাদী নেতা জনাব " বি, ও "কে চিনে কিনা। জসিম উল্টো জানতে  চাইল সেকি ভালো মাওলানা। আমি চুপ হয়ে গেলাম। কোনো উত্তর খুঁজে পাচ্ছিলাম না। তারপরও বললাম,

" হ, সে বেশ ভালো মাওলানা, জমিনে থেকে আসমানের ওয়াজ করে।"

বিপ্লবকে যারা পাকা ফল মনে করেন তাদেরকে একটি পরামর্শ দিতে চাই। আর তাহলো  Early to bed and early to rise / Makes a man healthy, wealthy and wise। ঘুম থেকে উঠে দেখবেন অনেক আম গাছের নিচে পড়ে আছে। তখন ফ্রেশ মনে আম কুড়াতে কুড়াতে মামার বাড়ির সুখ অনুভব করবেন। আরেকটি কথা সকালে কিন্তু উঠবেন। নতুবা আপনার গাছের আম জসিম নিয়ে যেতে পারে। জসিম আবার খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে তো।

পরামর্শ দিলাম বলে রাগ করবেন না প্লিজ। বড় মানুষদের রাগ করলে পেঁচা পেঁচা দেখায়। তাছাড়া রাগ করেও কোনো বস্তুনিষ্ঠ সফলতা আসবেনা। কারণ রাগ করে বস্তুগতভাবে সফল হতে গেলে অস্ত্র লাগে, অস্ত্র। আর স্বাধীন চিন্তায় জনগণই তো বৈধ অস্ত্র।
জনগণ আপনাদের পাশে আছে?
নেই।
 জনগণকে বোঝানো হয়েছে আপনারা নাস্তিক। তাছাড়া আপনারা গুরুজনদের পথেও হাঁটছেন না। গুরুজনদের রাগিয়ে দিচ্ছেন বারবার। আপনারা চে গুয়েভারাকে ট্রি শার্টে,  টুপিতে বহন করে চলেছেন। অথচ চে সাধারণ মানুষকে বুকে নিয়ে পথে থাকতেন। শীতাতপনিয়ন্ত্রিত রুমে বসে কার্বন বক্তৃতা দেন নায়। তাছাড়া চে যদি জানতেন তাঁকে বিজ্ঞাপনের উপকরণ বানানো হবে, তাঁকে টি -শার্টে  নিয়ে ঘুরবে পুঁজিপতি মহল তা হলে কী হতো! কী হতো জানিনা। অনুমান করতে পারি ইজমা-কিয়াসের একটি ব্যবস্থা হতো।

আচ্ছা, আরেকটি কথা আমার জ্ঞানে ধরে না। আপনাদের ব্যক্তিগত বউকে ঘরে পুতুল করে বসিয়ে রেখে নারী জাতিকে জেগে উঠার স্লোগান শোনান কেন?
ও আচ্ছা!
আপনি তো নেতা, আপনি তো ভালো কথা বলতে পারেন। আপনার আন্ডারপেন্টেও যে দুর্গন্ধ আছে তা সাধারণ মানুষ জানবে কেন। যত কম জানানো যায় ততই তো মাহফিল বরকতময়  হয়ে উঠবে।

বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

আলোর পথ

আলোর পথ চলে গেছে দয়ালের বাড়ির দিকে। মাঝখানে কোনো দেয়াল নেই। আমার পথ কেবলই আমার দিকে ফিরে আসে। মাঝখানে দয়ালের আলোর দেয়াল। দয়াল ফিরে আসে, বারবার ফিরে আসে আমার দিকে। আমি তাকে ধারণ করতে পারি, যতন করতে পারিনা। আমি তখন অস্থির হয়ে পড়ি, মানতে পারিনা প্রবাদকথা " যতনে রতন মিলে"।
দয়াল আমার ফটো তোলে। আমার ফটোপয়েম পূর্ণ করেছে তাঁর গ্যালারি। আজো আমার এ্যালবাম খালি।কেন খালি থাকবেনা? দয়ালের ফটো যে ক্যামেরায় আসেনা।
কতভাবে দয়াল যে দয়াল হয়ে উঠে তা আমি বলিতে পারিনা। বলিতে পারি কেবল আমার কঙ্কালের কথা, আমার কঙ্কাল দয়ালের কলঙ্ক বহন করে চলেছে।

বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

কতদিন ভালোবাসাহীন থাকা যায়, ভালোবাসাহীন পরিচিত হৃদয় মরুময় হাহাকার।।

How long dare to love, a mind getting no love is to desert 

দেবীরা পৃথিবীর প্রেমিকা হবে

যে স্কুলে তুমি পাঠদান করো সেই স্কুলে একটি শিশু আছে যে তোমার প্রেমিক।
অসংখ্য শিশুর মাঝে একটি শিশু।
কথা বলেনা, তৈরি করা প্রশ্নের উত্তর দিতেও আসেনা। চুপিসারে কেবল তোমার কথার ঘ্রাণ নেয়, তোমার শাড়ির বাঁকে ঝুলন্ত যৌবন দেখে, অনিত্য যৌবন।
 শাখা- প্রশাখাহীন প্রাকৃতিক লতার মতো তোমার দৃষ্টি শিশুদের দুনিয়ায় সূর্যরশ্মি হলেও শিশুটির কাছে তা প্রেমরশ্মি। প্রেমরশ্মির উদার জলে শিশুটি নৌকা চালায়। শিশুটি তোমার মনদরিয়ার মাঝি।
পৃথিবীর চোখ তাকে দেখতে পায়না। তার শব্দের অর্থ খুঁজে পাওয়া যায়না পৃথিবীর অভিধানে।

তোমার চোখেও কী পৃথিবীর রক্ত?

জিউস সুনীল আঁচলে টান দিয়েছে বহুবার, পৃথিবীকে বানিয়েছে শ্বশুরালয়।
কৃষ্ণ, নারীর জলে স্নান করে পবিত্র হয়েছে, হয়েছে ভগবানের অবতার।
দেবী পৃথিবীতে নেমে আসেনি প্রেমিকের খোঁজে।
স্বরসতী, তুমি তো দেবী!
তাকাবে একবার ছোট্ট ছেলেটির দিকে, একবার কেবল প্রেমিকার চোখে।
সম্মতি থাকলে,
নিয়ম ভঙ্গ হবে অনিয়ম মেনে।

সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

জানা

একমাত্র প্রেমিকাই জানে
প্রেমিকের মনে কী ফুল ফোটে
বকুল, মালতী, রজনীগন্ধা নাকি তুলতুলে সন্ধ্যা
একমাত্র প্রেমিকই জানে
প্রেমিকার মনে কখন প্রজাপতি নামে
কখন নামে বসন্ত, বর্ষা কিংবা হিমানী ঠাণ্ডা 

রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

আলো

রাতের আলো দূরে, বহু দূরে
হয় চাঁদ নয় তারা
দিনের আলো কাছে, বহু কাছে
অমৃত আগুনের ধারা