শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৩

চাবি !

চাবি দিয়া তালা খোলি
চাবির ভিত্তে কী ?
চাবির ভিত্তে রং তামাশা ,সাধের জিন্দীগী ! 

বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৩

ম ল

মাংসের দরজা খোলে পেলাম পৃথিবী
মাংসের চাবি দিয়ে দরজা খোলি

I surely am opening the fleshly door
I am in youth to flip the door again more 

মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৩

চুলের পাল

পুলিশের পোশাকে চোরের ভূমিকায়
চুলের ঘ্রাণে মত্ত মাতাল
চুল তো চুল নয়
বাপিশা বিদিশা নাটাল
প্রশংসা লেপনে মাথা তোমার ঝোপঝাড়
আমি হয়েছি জীবনানন্দ কালিদাস

সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৩

জীবনানন্দের পথ হাটা


ভ্রমণপিপাসু মানুষের গন্তব্য অনির্ধারিত ।কোনো এক অজানা টানে তারা ভ্রমণ করে পথ থেকে পথে ;দৃশ থেকে অদৃশে ।প্রকৃতির গভীর আলেয়ায় নিজেকে সমর্পণ করে মনের মমতায় ।তালাশ করে আপনারে ।পানকৌরি তালাশ ।
আমাদের জীবনানন্দ হাড়ির তলায় জীবনের সৌন্দর্য খোঁজেননি ।বহমান জীবনে বার বার নিজেকে বন্দি করেছেন ।হয়েছেন রাতের পাখি ।তাইতো "পথ হাটা " কবিতাটি চলমান সময়ের পাশে থাকা পথিক ।

রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৩

তালপাতা

ভালোবাসায় আড়িপাতা মাংসপোড়া ঘ্রাণ
পোড়ামাংসে খেলা করে মানুষ হওয়ার গান

Flesh to and fro ash flesh eavesdrops in love
Man in shine over the scorched flesh line for time

বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৩

তা রা নি

নারীর জন্ম মৃত্যু বরাবর ।জন্মের গোলাপি স্বাদ তাদের প্রতারণা করে সেই সময় এবং এই সময়।নারীর ফটোকপি চোখের সামনে জ্বলজ্বল ।মূল কপি চিতা বাঘের চিন্তায় ।মনটা তাদের আশ্রয় খোঁজার তালে মাতাল ।
আসলে মহলের বাসিন্দারা কোনো দিন নারী হয়ে ওঠতে পারিনি ;হয়ে ওঠে রমণী' জননী ।
তারানি তাদের প্রতিনিধি নয় ?
   বিয়া বইতাম না ।জীবনডা আমার ।তুমরা অত ফাগল ঐছ কেরে ।বিয়ার জীবন আর গাদার জীবন হমান হমান ।
   মারে লন্ডনপ্রবাসী বড় ঘরের ছেলে ।তোরে লন্ডন নিয়া যাইব ।নাহুশ -তাহুশ করিস না ।এমন বিয়া হগলের কফালে অই না

খাচার পরিপাটি গল্প ঘন-নীল আকাশপ্রাণ তারানির জেদে ঝড় আনে ।তার হক কথার উত্তেজনায় রাগের ভাইরাস ছড়ে সবপাশ ।
সে তখন আন্তর্জাতিক বেয়াদব ।
তারানির একমুখী জেদ ভাতের ফেনার মতো ।গাণিতিক নয় ;জ্যামিতিক হারে বাড়ে ।
   কইছি বিয়া বইতাম না ;মরা কবর থেইক্কা আইলেও না

রবিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১৩

::Taracan::


বাজারচারতলা । গ্রামের নাম।
কালি দাস সাগর জন্ম দেন তার
প্রথম সন্তান। লোকভাষায় নাম
রাখে চর। চর থেকে চার। "তলা" বৃক্ষ
ছায়ার ঘোষিত এলাকা ।
এখনো বেঁচে থাকা তিনটি বটগাছ ,একটি গাবগাছ
জানান দেয় কেমন আমেজে ছিল
তাদের পরিবার।
বাজার বসত । হাঁট বাজার। ক্রেতা-
বিক্রেতা য় পূঋণ
প্রতিযোগিতামূলক বাজার। হাঁট
বেশি দিন টিকে থাকি নি ।
টিকে আছে জন্ম নেয়া নামটি ।
তারাচানের মুখে বাজারচারতলা।
বাজারচারতলার মাটি। জল যে মাটির
আব্বা- আম্মা। জলের প্লাবন
তারাচানের পিলপিল পায়ে,
কচিকাঁচা যৌবনে।
সঙ্গে থাকা আর পাশে থাকা এক
কথা নয়। গ্রামটিই কেবল তারাচানের
পাশে থাকে। সঙ্গে থাকে কতিপয়
মানুষ। ফানুশ।
সৈতল তারাচানের
সঙ্গে থাকা একজন। আঁচল বাবু
আদুরে নাম। তারাচানের দেয়া।
পুকুরে গোসল করতে যাওয়া,
খেলতে যাওয়াঃ প্রত্যেক
কাজে সৈতলের হাত আব্বাজির
আঁচলে । সৈতলরা আব্বাকে শুদ্দ
ভাষায় আব্বাজি বলতো। বাবু
মানে গন্ধের সাথে। খোয়ারের গন্ধ,
আব্বাজির গন্ধ সৈতলের মগজ
থেকে উদ্দার পাইনি ।
তাই তো সে দিনকার সৈতল আজকের
আঁচল বাবু!